Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পাঁশকুড়া শহরে প্রায় ৬৫০০ বাড়িতে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ বিলি

শনি ও রবিবার পাঁশকুড়া শহরে সাড়ে ছ’হাজার বাড়িতে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ বিলি সম্পন্ন হল।

পাঁশকুড়া শহরে প্রায় ৬৫০০ বাড়িতে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ বিলি
  • ২৩ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: শনি ও রবিবার পাঁশকুড়া শহরে সাড়ে ছ’হাজার বাড়িতে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ বিলি সম্পন্ন হল। পুর এলাকার আটজন রেশন ডিলারের মাধ্যমে ওই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ১৩ জুন পাঁশকুড়া পুরসভার বিদ্যাসাগর হলে বিশেষ পুজোপাঠের মাধ্যমে প্রসাদ তৈরি শুরু হয়। বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর প্রায় ৪৭জন সদস্যা ওই কাজে যুক্ত ছিলেন। সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে জগন্নাথদেবের মহাপ্রসাদের সঙ্গে হলুদ প্যাঁড়া ও মিষ্টি গজা তৈরি হয়। তারপর প্যাকেট করে শহরের আটজন রেশন ডিলারের দোকানে পাঠানো হয়েছিল। শনি ও রবিবার প্রসাদ বিলি সম্পূর্ণ হয়েছে।

Advertisement

পাঁশকুড়া পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারপার্সন নন্দকুমার মিশ্র বলেন, শহরের প্রায় সাড়ে ছ’হাজার বাড়িতে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ পৌঁছে গিয়েছে। আমরা সমস্ত রেশন দোকানে গিয়ে ওই কাজের তদারকি করেছি।
গত দু’দিন ধরে পাঁশকুড়ার ১০নম্বর ওয়ার্ডে মদন সাউ, ১১নম্বর ওয়ার্ডে গোপাল বরের রেশন দোকানে গ্রাহকদের লম্বা লাইন পড়ে যায়। রেশন কার্ড দেখিয়ে মানুষ জগন্নাথদেবের প্রসাদ সংগ্রহ করেন। পুরসভার অন্য ওয়ার্ডেও একই ছবি লক্ষ্য করা যায়। প্রশাসকমণ্ডলীর কর্মকর্তারা ১৩জুন থেকেই পুরো কাজের উপর বিশেষ নজরদারি রেখেছিলেন।
শহরের প্রতাপপুরের বাসিন্দা প্রদীপ জানা, মধুসূদন জানা বলেন, বাড়িতে বসে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ পাওয়া সৌভাগ্যের বিষয়। এজন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানাই। রেশন ডিলার মদন সাউ বলেন, প্রভু জগন্নাথের প্রসাদ সংগ্রহে মানুষের ব্যাপক উৎসাহ ছিল। শনি ও রবিবার দু’দিন ধরে আমরা কাজটি সম্পন্ন করেছি। সিংহভাগ মানুষ প্রসাদ গ্রহণ করেছে। এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে আমাদের খুব ভালো লাগছে।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ