Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

ধর্ষণের মামলায় প্রোজ্জ্বল রেভান্নার যাবজ্জীবন সাজা

ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন শুক্রবারই। শনিবার সাজা ঘোষণা হল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়ার নাতি প্রোজ্জ্বল রেভান্নার।

ধর্ষণের মামলায় প্রোজ্জ্বল রেভান্নার যাবজ্জীবন সাজা
  • ৩ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

বেঙ্গালুরু: ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন শুক্রবারই। শনিবার সাজা ঘোষণা হল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়ার নাতি প্রোজ্জ্বল রেভান্নার। শনিবার বেঙ্গালুরুর বিশেষ আদালত এই সাজা শোনাল জেডিএসের প্রাক্তন সাংসদকে। একইসঙ্গে ১১ লক্ষ টাকা জরিমানাও হয়েছে। আদালতের নির্দেশ ওই টাকা নির্যাতিতাকে দিতে হবে। 

Advertisement

পরিচারিকাকে বাড়িতে আটকে রেখে দিনের পর দিন ধর্ষণ করেছেন রেভান্না। ২০২১ সালে তাঁর বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ আনেন নির্যাতিতা। তদন্ত শুরু হয়। ২০২৪ সালে গ্রেপ্তার করা হয় রেভান্নাকে। এরপর বিদেশে পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর নাতি। শেষরক্ষা হয়নি। দেশে ফিরতেই গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে। গতকালই রেভান্নাকে দোষী সাব্যস্ত করেন বেঙ্গালুরুর বিশেষ আদালতের বিচারপতি সন্তোষ গজানন। শনিবার যাবজ্জীবনের সাজা শোনালেন তিনি। এদিন নির্যাতিতার পক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর বি এন জগদীশ সওয়াল করেন। আদালতে তিনি বলেন, নির্যাতিতাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে রেভান্না। এমনকি ঘটনার ভিডিও দেখিয়ে হুমকি দেওয়ার কথাও আদালতে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, সেই ভিডিও দেখে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছিলেন নির্যাতিতা। রেভান্নাকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, এই ধরনের অপরাধ বিকৃত মানসিকতার ফল। প্রাক্তন সাংসদের কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তির আবেদন জানান তিনি। বিচারপতির কাছে জগদীশ আর্জি জানান, প্রভাব প্রতিপত্তি থাকলেই যে অপরাধ করে পার পাওয়া যায়। রেভান্নার কঠিন শাস্তি হলে, সাধারণের এই ধারণা বদলাবে। এরপরই ভেঙে পড়েন রেভান্না। আদালতে দাঁড়িয়ে প্রাক্তন সাংসদের পালটা প্রশ্ন, কেন সাংসদ থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলেনি? কেন নির্বাচনের আগে এই অভিযোগ সামনে এল? নিজেকে নির্দোষ বলেও দাবি করে রেভান্না। এমনকি তুলনামূলক কম শাস্তি দেওয়ার আর্জিও জানান প্রাক্তন সাংসদ। তাতে লাভের লাভ কিছুই হয়নি। একাধিক ধারা উল্লেখ করে রেভান্নার সাজা ঘোষণা করেছেন বিচারপতি। ভারতীয় দণ্ডবিধির দুটি ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আরও পাঁচটি ধারায় দুই থেকে সাত বছরের কারাদণ্ড এবং তথ্য-প্রযুক্তি আইনের একটি ধারায় তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে রেভান্নাকে। পাশাপাশি নির্যাতিতাকে ১১ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বেঙ্গালুরুর বিশেষ আদালত। -ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ