Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

প্রদীপ ভিনরাজ্যে পাঠিয়েও মুখে হাসি নেই মৃৎশিল্পীদের

আলোর উৎসবের আগে কপালে হাত চোপড়ার মৃৎশিল্পীদের। চাহিদা থাকলেও বাড়েনি মাটির তৈরি প্রদীপের দাম। দীপাবলির আগে ব্যস্ততা তুঙ্গে চোপড়ার মৃৎশিল্পীদের।

প্রদীপ ভিনরাজ্যে পাঠিয়েও মুখে হাসি নেই মৃৎশিল্পীদের
  • ১৪ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

মুতাহার কামাল, চোপড়া: আলোর উৎসবের আগে কপালে হাত চোপড়ার মৃৎশিল্পীদের। চাহিদা থাকলেও বাড়েনি মাটির তৈরি প্রদীপের দাম। দীপাবলির আগে ব্যস্ততা তুঙ্গে চোপড়ার মৃৎশিল্পীদের। 

Advertisement

মাটির প্রদীপ তৈরিতে দিনরাত এক করছেন তাঁরা। কালাগছ থেকে এবারও কানপুর, লখনউ, মহারাষ্ট্র সহ ভিনরাজ্যে কয়েক লক্ষ প্রদীপ পাঠানো হয়েছে। তবে উৎসবের আবহের মধ্যেও মৃৎশিল্পীদের আক্ষেপ। তাঁদের কথায়, বাজারে সবকিছুর দাম বাড়লেও  মাটির তৈরি প্রদীপের দাম কয়েক বছর ধরে প্রায় একই রয়ে ঩গিয়েছে। মৃৎশিল্পী পঞ্চানন পাল বলেন, সব জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু প্রদীপের দাম বাড়ছে না। প্রদীপের দাম না বাড়ায় তাঁরা শ্রমের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। 
কালাগছের মৃৎশিল্পী রেবা পাল এবার প্রায় ১ লক্ষ প্রদীপ ভিনরাজ্যে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন, চাহিদা থাকলেও মাটির তৈরি জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে না। 
সাত বছর ধরে প্রদীপ তৈরি করেন মীরা পাল। তিনি বলছেন, হাজার প্রদীপের পাইকারি দর মাত্র ৪০০ টাকা। ফলে প্রদীপ বানিয়ে লাভ সেরকম হয় না। তারপরও নিরুপায় শিল্পীরা প্রদীপ বানাচ্ছেন। সেই প্রদীপ যাচ্ছে বাইরের রাজ্যগুলিতে। 
রেবা বলেন, যে হারে মাটির দাম বাড়ছে, সেই হারে প্রদীপের দাম নেই।  প্রতি ট্রলি মাটি কিনতে খরচ হয় প্রায় সাড়ে তিন হাজার টাকা। এই খরচ সামলানোর পর মুনাফার পরিমাণ খুবই কম। 
মৃৎশিল্পীরা বলছেন, এক লক্ষ প্রদীপ বিক্রি করে লাভ হচ্ছে মাত্র ১৫ হাজার টাকার মতো। প্রদীপের দাম বৃদ্ধি না পাওয়ায় এই জীবিকা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে দাবি রেবা, মীরাদের।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ