ওজন ঝরানোর জন্য জিমে যান কেউ। কারও আবার সাধারণ হাঁটাহাঁটিতে আস্থা রয়েছে। তবে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা, হঠাৎ কোনও জরুরি কাজ এসে যাওয়া এমন নানাকিছু নিয়েই আমাদের জীবনযান ঘুরতে থাকে। তাই রোজ নির্দিষ্ট সময়ে হাঁটতে পারছেন, এমন হয় না। তাহলে কি সেদিন শরীরচর্চায় ফাঁকি? মোটেই না। বরং জিমকে যদি নিজের বাড়িতে এনে তুলতে পারেন, তাহলে?
এখানেই পোর্টেবল ট্রেডমিলের কামাল। বাড়িতেই রাখতে পারেন ছোট্ট যন্ত্রটি। প্রতিদিনের হাঁটায় ছেদ পড়বে না এটি থাকলে। একটা সময় ছিল, গৃহস্থবাড়িতে অনেকটা জায়গা জুড়ে থাকত ট্রেডমিল। ছোটখাট ফ্ল্যাটে তাই রাখার উপায় ছিল না। সেই অসুবিধা দূর করতে এসেছে এই ট্রেডমিল।
পোর্টেবল ট্রেডমিল কী
বহনযোগ্য, ভাঁজ করে রাখা যায় এমন ট্রেডমিলই পোর্টেবল ট্রেডমিল। অন্য জায়গায় বয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এই ট্রেডমিলের বেশ কিছু মডেলে চাকাও লাগানো থাকে। আকারে ছোট হলেও সাধারণ ট্রেডমিলের মতোই গতি নিয়ন্ত্রণ, ডিজিটাল মনিটর, শক অ্যাবজর্ভেশন সবই এতে আছে।
কী কী দেখে কিনবেন
প্রথমত নিজের ওজন ও মেশিনের ওজনসীমা দেখে নিন। দেহের উচ্চতা ও ওজনের সঙ্গে মডেলটি খাপ খাচ্ছে কি না জানুন। যেখানে দাঁড়িয়ে হাঁটবেন বা ছুটবেন, সেই ডেকটির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ দেখে নিন। শক অ্যাবজর্ভ করার ক্ষমতা কতটা, আঘাত এড়ানোর প্রযুক্তি কেমন সেটাও দেখুন। গতির পরিবর্তন সহজে হচ্ছে কি না, ওয়ার্কআউট প্রোগ্রামের সুইচ ঠিকমতো কাজ করছে কি না দেখে নেবেন।
দাম কেমন
যে কোনও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা অফলাইনে কিনতে পারেন। ১০,০০০ টাকা বাজেট থাকলেই পোর্টবেল ট্রেডমিল কেনা যায়। তবে আরও আধুনিক বৈশিষ্ট্যযুক্ত ট্রেডমিল কিনলে খরচও বাড়বে। ১৬-১৭ হাজার টাকা বাজেট হলে স্লিক, আধুনিক প্রযুক্তির ট্রেডমিল পাবেন।
মনীষা মুখোপাধ্যায়