Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

খড়গ্রামে বেআইনিভাবে আধার তৈরির ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে খুঁজছে পুলিস

খড়গ্রাম থানার নগরগ্রামে অবৈধ আধার তৈরির চক্রের মূল অভিযুক্তকে খুঁজছে পুলিস।

খড়গ্রামে বেআইনিভাবে আধার তৈরির ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে খুঁজছে পুলিস
  • ২১ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কান্দি: খড়গ্রাম থানার নগরগ্রামে অবৈধ আধার তৈরির চক্রের মূল অভিযুক্তকে খুঁজছে পুলিস। পাশের জেলার ওই মূল পান্ডা আধার পোর্টালের আইডি ও পাসওয়ার্ড ভাড়া খাটায় বলে পুলিস জানতে পেরেছে। পুলিস তাকে ধরার চেষ্টা চালাচ্ছে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার ওই থানার নগরগ্রামের ফরাক্কা-হলদিয়া বাদশাহি সড়কের পাশেই দোকান খুলে অবৈধভাবে আধার কার্ড তৈরি করছিল তিন যুবক। সেই সময় খড়গ্রাম থানার পুলিস সেখানে হানা দেয়। স্থানীয় নগরগ্রামের বাসিন্দা মেহেদি হাসান, মোশারফ মোমিন ও মহম্মদ সুমন মোমিন নামের তিন যুবককে পুলিস গ্রেপ্তার করে। পাশাপাশি, আধার কার্ড তৈরির সরঞ্জামও বাজেয়াপ্ত করা হয়। পুলিস দোকানটি সিল করে দেয়। পরে ধৃতদের কান্দি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক মেহেদি হাসান ও মোশারফ মোমিনকে ন’দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুলিস ধৃতদের নিয়ে জেরা শুরু করলে জাল আধার কার্ড চক্রের বিষয়টি সামনে আসে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকরা আধার পোর্টালের আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে জালিয়াতির কাজ করছিল। পাশের জেলার এক পান্ডার কাছ থেকে ওই আইডি ও পাসওয়ার্ড ভাড়া নিয়েছিল তারা। ভাড়া হিসেবে মোটা টাকাও দিতে হতো মূল পান্ডাকে। তবে, তদন্তের স্বার্থে পুলিস এখনই ওই মূল অভিযুক্তের পরিচয় জানাতে চায়নি।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, অত্যন্ত উন্নতমানের সফটওয়্যারের মাধ্যমে অবৈধভাবে আধার কার্ড করা হচ্ছিল। সেখানে শুধুমাত্র আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলেই পোর্টাল খুলে কাজ করা যায়। কাজ করার ক্ষেত্রে আইডিটির মালিকের কোনও ফিঙ্গার প্রিন্টের দরকার হয় না। শুধু তাই নয়, ওই চক্রটি জাল আধার কার্ড তৈরিও করত। কোনও নথি নেই, এমন ব্যক্তিদেরও একাধিক আধার কার্ড তৈরি করা হয়েছে বলে পুলিসের সন্দেহ। 
সেক্ষেত্রে তথ্য প্রমাণের যাবতীয় নথি চক্রটির সদস্যরা নিজেরাই তৈরি করে নিত। জাল জন্ম শংসাপত্র থেকে অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি মোটা টাকার বিনিময়ে তারা তৈরি করে দিত। তারা বাংলাদেশিদের আধার কার্ড তৈরি করেছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখছে পুলিস।  কান্দি মহকুমা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, এই চক্রের জাল অনেক দূর পর্যন্ত রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে মূল পান্ডা হাতে এলেই সমস্তটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। 
 থানায় ধৃতরা। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ