সংবাদদাতা, লালবাগ: জিয়াগঞ্জের নিখোঁজ দুই নাবালিকা ছাত্রীকে দিল্লি থেকে উদ্ধার করল পুলিস। তাদের ফুসলিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃত আসগর আলির বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। ওই নাবালিকাদের ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
সংবাদদাতা, লালবাগ: জিয়াগঞ্জের নিখোঁজ দুই নাবালিকা ছাত্রীকে দিল্লি থেকে উদ্ধার করল পুলিস। তাদের ফুসলিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃত আসগর আলির বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। ওই নাবালিকাদের ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
লালবাগ মহকুমা পুলিস আধিকারিক আকুলকর রাকেশ মহাদেব বলেন, জিয়াগঞ্জ থানা এলাকার দুই নিখোঁজ ছাত্রীকে দিল্লি পুলিসের সাহায্যে স্থানীয় একটি হোটেল থেকে উদ্ধার করা হয়। আমাদের প্রাথমিক অনুমান, অসৎ উদ্দেশ্যে ওই দুই ছাত্রীকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। জিয়াগঞ্জ থানার তৎপরতা ও দিল্লি পুলিসের সহযোগিতায় কোনও অপরাধী চক্রের হাতে পড়ার আগেই দুই ছাত্রীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এঘটনায় আর কেউ যুক্ত কি না-তা জানতে ধৃত যুবককে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
জিয়াগঞ্জ থানা এলাকার ওই দুই নাবালিকা স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। ৩০জুন দু’জনই স্কুলে যাওয়ার নাম করে সকাল ১০টা নাগাদ বাড়ি থেকে বের হয়। কিন্তু, ওইদিন সন্ধ্যার পরও তারা বাড়ি না ফেরায় দুই ছাত্রীর পরিবার জিয়াগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ জানায়। এরপরই পুলিস তদন্তে নামে।
জিয়াগঞ্জ থানার এক আধিকারিক বলেন, তদন্তে নেমে শহরের বিভিন্ন এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়। ফুটেজে দেখা যায়, ওই দুই ছাত্রী বাড়ি থেকে বেরিয়ে পদমপুর এলাকায় লন্ডন মিশন হাসপাতাল চত্বরে আসে। সেখানে স্কুলের ইউনিফর্ম পাল্টে অন্য পোশাক পরে টোটো ধরে নিমতলা ঘাট হয়ে আজিমগঞ্জ জংশন স্টেশনে পৌঁছয়। সেখান থেকে রেলপথে কাটোয়া হয়ে হাওড়া যায়। পরে হাওড়া থেকে দিল্লিগামী ট্রেনে চেপে বসে। দুই ছাত্রীর নাগাল পেতে জেলা পুলিসের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ ও সাইবার ক্রাইম শাখার সাহায্য নেওয়া হয়। তাদের মোবাইলের টাওয়ার লোকেশনে দেখা যায়, তারা দিল্লিতে রয়েছে। এরপর জিয়াগঞ্জ থানার একটি টিম দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেয়। শুক্রবার দিল্লি পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে প্রথমে একটি হোটেলে অভিযান চালানো হয়। কিন্তু সেখান থেকে খালি হাতে ফিরতে হয়। পরে অপর একটি হোটেল থেকে দুই ছাত্রীকে উদ্ধারের পাশাপাশি ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।