নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্রামে বাবা-মাকে গুলি করে মারার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করেন একজন পুলিস অফিসার। রক্তাক্ত বাবার নিথর দেহের পাশে বসেই জয়দীপ চট্টোপাধ্যায়(৩১) নামে ওই পুলিস কর্মী নিজের সার্ভিস রিভলবার গলায় ঠেকিয়ে ট্রিগার টেপেন। সেই গুলি গলা ভেদ করে বেরিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার ভোররাতে ঝাড়গ্রাম শহরের রঘুনাথপুর এলাকায় এই ঘটনায় তীব্র আলোড়ন পড়েছে। ওই পুলিস অফিসারই তাঁর সহকর্মী অরিন্দম সরকারকে ফোনে বাবা-মাকে গুলি করে খুন করার কথা জানান। বিষয়টি জানা মাত্র পুলিস ঘটনাস্থলে গিয়ে বাবা-মা ও জখম জয়দীপকে ঝাড়গ্ৰাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঘর থেকে একটি সুইসাইড নোটও পুলিস উদ্ধার করেছে। ঝাড়গ্রামের এসডিপিও শামিম বিশ্বাস বলেন, জয়দীপকে জখম অবস্থায় কলকাতার পিজিতে স্থানান্তর করা হয়েছে। ছেলের গুলিতে বাবা দেবব্রত চট্টোপাধ্যায়(৬৬) ও মা শম্পা চট্টোপাধ্যায়ের(৫৫) মৃত্যু হয়েছে। ঘরের ভিতর থেকে একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়েছে। নোটে অসুস্থার কারণে মূক ও বধির বাবার স্মৃতিশক্তি হারানোর বিষয়টি মেনে নিতে না পারার কথা উল্লেখ রয়েছে। ঘটনার পিছনে আর কোনও কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জখম ওই পুলিস অফিসারের এক আত্মীয় উজ্জ্বল চক্রবর্তী বলেন, জয়দীপের বাবা-মা দেড়মাস আগে পাকাপাকিভাবে ছেলের কাছে চলে আসেন।



