Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হাওড়া স্টেশন ও ব্রিজে জনপ্লাবন দক্ষতার সঙ্গে ভিড় নিয়ন্ত্রণ পুলিসের

আবেগ, উন্মাদনা— সবকিছু ছাপিয়ে জনপ্লাবন। সোমবার সকাল থেকেই হাওড়া স্টেশন চত্বর ছেয়ে গিয়েছিল তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের ভিড়ে।

হাওড়া স্টেশন ও ব্রিজে জনপ্লাবন দক্ষতার সঙ্গে ভিড় নিয়ন্ত্রণ পুলিসের
  • ২২ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: আবেগ, উন্মাদনা— সবকিছু ছাপিয়ে জনপ্লাবন। সোমবার সকাল থেকেই হাওড়া স্টেশন চত্বর ছেয়ে গিয়েছিল তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের ভিড়ে। নজর কাড়ে হাওড়া সদর তৃণমূলের পাঁচশো ফুট দীর্ঘ দলীয় পতাকা নিয়ে ধর্মতলার উদ্দেশে যাওয়া বিরাট মিছিল। আদালতের নির্দেশে এদিন ভিড় সামলানোর পাশাপাশি ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে রীতিমতো দক্ষ ভূমিকা পালন করেছে হাওড়া সিটি পুলিস। শহরের বাসস্ট্যান্ডগুলিতে নিত্যযাত্রীদের লাইন চোখে পড়লেও বাস না পাওয়া নিয়ে সেরকম কোনও অভিযোগ সামনে আসেনি।

Advertisement

এদিন সকাল থেকে হুগলি, দুই মেদিনীপুর, বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া থেকে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের ভিড় জমতে শুরু করে হাওড়া স্টেশনে। সাঁতরাগাছি স্টেশনে এসেও অনেকে পায়ে হেঁটে হাওড়া স্টেশন পৌঁছন। কোনা এক্সপ্রেসওয়ে ধরে একের পর এক বাস, লরি দ্বিতীয় হুগলি সেতু পেরিয়ে ধর্মতলার দিকে যেতে দেখা যায়। সকাল এগারোটা থেকে প্রায় ঘণ্টা দেড়েক হাওড়া স্টেশন চত্বরে থিকথিকে ভিড়ে ঢেকে যায়। একদিকে পায়ে হেঁটে মিছিল, অন্যদিকে লঞ্চে করে কাতারে কাতারে মানুষ ধর্মতলার উদ্দেশে এগতে থাকেন। মুর্শিদাবাদের ভরতপুর থেকেও কালো পোশাক পরা কয়েক হাজার কর্মী সমর্থকের একটি দল হাওড়া স্টেশন থেকে মিছিল করে ধর্মতলা উদ্দেশে যায়।
নজর কাড়ে মন্ত্রী অরূপ রায় ও বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর নেতৃত্বে হাওড়া সদরের বিরাট মিছিল। ৫০০ ফুট দীর্ঘ তৃণমূলের পতাকা নিয়ে বঙ্কিম সেতু থেকে হাওড়া বাসস্ট্যান্ড হয়ে এই মিছিল হাওড়া ব্রিজে উঠতেই কলকাতাগামী লেন অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। ব্যস্ত অফিস সময়ে যাতে নিত্যযাত্রীদের কোনও সমস্যা না হয়, সেজন্য তৎপরতার সঙ্গে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা যায় হাওড়া ট্রাফিকের বিশাল পুলিস বাহিনীকে। মিছিল পার হতেই দ্রুত যান চলাচল স্বাভাবিক করে পুলিস। 
নিত্যযাত্রীদের বেশিরভাগই হাতে সময় নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিছিলেন। সকাল সকাল হাওড়া বাস স্ট্যান্ডে অন্যান্য দিনের মতোই অফিস যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন চোখে পড়ে। যাত্রীদের অনেকেই বলেন, ‘বাস পেতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট দেরি হচ্ছে। তবে যে ভোগান্তির আশঙ্কা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলাম, অতটা হয়নি।’ শহরের ইছাপুর বাস স্ট্যান্ড, কদমতলা বাসস্ট্যান্ডেও এদিন যাত্রীদের ভিড় দেখা গিয়েছে। হাওড়া সিটি পুলিসের এক কর্তা বলেন, ‘হাওড়া ময়দান থেকে হাওড়া ব্রিজে যাতে কোনওভাবেই যানজট না হয়, এজন্য আগে থেকেই একাধিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। রেল পুলিসও হাওড়া স্টেশনে দক্ষতার সঙ্গে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করেছে।’

সম্পর্কিত সংবাদ