Bartaman Logo
২ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

অনুপ্রবেশকারীদের নতুন আইনেই মামলার নির্দেশ পুলিশ ডিরেক্টরেটের

সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের অভিযোগে যাদের ধরা হচ্ছে, রাজ্য পুলিশের থানাগুলি তাদের বিরুদ্ধে বাতিল হয়ে যাওয়া ‘পাসপোর্ট অ্যাক্ট ১৯২০, রেজিস্ট্রেশন অব ফরেনার্স অ্যাক্ট’-এর ধারাতেই মামলা করছে।

অনুপ্রবেশকারীদের নতুন আইনেই মামলার নির্দেশ পুলিশ ডিরেক্টরেটের
  • ১১ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের অভিযোগে যাদের ধরা হচ্ছে, রাজ্য পুলিশের থানাগুলি তাদের বিরুদ্ধে বাতিল হয়ে যাওয়া ‘পাসপোর্ট অ্যাক্ট ১৯২০, রেজিস্ট্রেশন অব ফরেনার্স অ্যাক্ট’-এর ধারাতেই মামলা করছে। যে কারণে আদালতে গিয়ে মুখ খুবড়ে পড়ছে মামলাগুলি। অভিযুক্ত অনায়াসে জামিন নিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে রাজ্য পুলিশের ভাবমূর্তি। তাই এ সংক্রান্ত নতুন আইনে মামলা রুজু করার জন্য বিভিন্ন জেলার থানায় থানায় নির্দেশ গেল পুলিশ ডিরেক্টরেট থেকে।

Advertisement

ভারত সরকার ২০২৫-এর সেপ্টেম্বর থেকে ‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট’ চালু করে। তখন থেকে আগের আইন বাতিল হয়ে যায়। নতুন আইনে বিদেশিদের প্রবেশ, অবস্থান ও প্রস্থানের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এই আইন প্রত্যেক বিদেশির বায়োমেট্রিক করার কথা বলেছে, যাতে ভিন দেশ থেকে ভারতে এসে কেউ অপরাধ করলে তাকে সহজে শনাক্ত করা যায়। সেই সঙ্গে ডেটাবেসেও বিদেশিদের সমস্ত তথ্য গচ্ছিত থাকবে। এই আইনেই ধারাতেই মামলা করতে হলা হয়েছে প্রতিটি রাজ্যকে। কিন্তু পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও পশ্চিমবঙ্গের কোনও থানাতেই নতুন আইনে মামলা রুজু করা হয়নি বলে জানতে পেরেছেন পুলিশের শীর্ষকর্তারা। বিভিন্ন আদালতে অভিযুক্ত অনুপ্রবেশকারীদের ঢালাও জামিনের কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে বিষয়টি তাঁদের নজরে আসে। যা দেখে রীতিমতো অসন্তুষ্ট হন তাঁরা। বাতিল হয়ে যাওয়া আইনে এখনও কীভাবে মামলা করা হচ্ছে, তা দেখে আশ্চর্যই হন কর্তারা। পরবর্তী সময়ে নতুন আইন নিয়ে একাধিক সেমিনার করা হয়। নয়া আইনে মামলা করতে গেসে কী কী বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, সেসব ভালোভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তারপরেও নয়া আইন কার্যকরা না হওয়ায় রীতিমতো হতাশ হন পুলিশকর্তারা। এরপরই নড়েচড়ে বসে পুলিশ ডিরেক্টরেট।
 নতুন আইনে মামলা রুজু করার জন্য সবক’টি জেলার কাছে লিখিত নির্দেশ যায়। জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, নতুন আইন সম্পর্কে সিংহভাগ অফিসাররাই অবহিত নন। অনেকেই পড়ে ওঠার সুযোগ পাননি। বাতিল হওয়া আইনে সবাই অভ্যস্ত ছিলেন। তবে নির্দেশিকা জারি হওয়ার পর নতুন আইনে কী কী বলা হয়েছে, তা জানার জন্য অফিসাররা রাত জেগে হলেও পড়াশোনা শুরু করেছেন বলে খবর। 

সম্পর্কিত সংবাদ