নয়াদিল্লি: ‘আমরা জঙ্গি নই। ই-২০ পেট্রল ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করতে চাই। দয়া করে তাঁকে এটা জানিয়ে দিন।’ পুলিশি বাধার মুখে পড়ে এই ভাষাতেই ক্ষোভ উগরে দিলেন আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
নয়াদিল্লি: ‘আমরা জঙ্গি নই। ই-২০ পেট্রল ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করতে চাই। দয়া করে তাঁকে এটা জানিয়ে দিন।’ পুলিশি বাধার মুখে পড়ে এই ভাষাতেই ক্ষোভ উগরে দিলেন আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু করে আপের নেতা-কর্মীরা। কেজরিওয়াল ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সৌরভ ভরদ্বাজ, মণীশ সিসোদিয়া সহ শীর্ষ নেতৃত্বের একাধিক সদস্য। মাঝপথেই পদযাত্রা আটকে দেয় দিল্লি পুলিশ। ফিরোজ শাহ রোডে ব্যারিকেডের সামনে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন নেতা-কর্মীরা। দিল্লি পুলিশের দাবি, পদযাত্রার জন্য কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি।
কেজরিওয়ালের দল জানিয়েছে, ই-২০ পেট্রলের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে ২ লক্ষ ৩০ হাজার মানুষের স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর হাতে সেই গণস্বাক্ষর তুলে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই পদযাত্রা। এবিষয়ে দলীয় নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর হাতে এই পিটিশন তুলে দিতে চাই। ইথানল নিয়ে বৈঠক করতে চাই। পুলিশ অফিসারদের সঙ্গে এবিষয়ে কথা বলেছি। আলোচনা হওয়া উচিত। অরবিন্দ কেজরিওয়াল প্রধানমন্ত্রীর কাছে সময় চেয়ে একটি চিঠিও লিখেছিলেন। উত্তর মেলেনি।’
পেট্রলে ২০ শতাংশ ইথানল মেশানো নিয়ে ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। বিষয়টি নিয়ে বারবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিরোধী শিবির। গত সোমবার সাংবাদিক সম্মেলনে আপ সুপ্রিমো দাবি করেছিলেন, ‘১০০ জন সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে যাব। পেট্রলে ইথানল মেশানো নিয়ে আলোচনা করব।’ তবে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি যাওয়ার আগেই কেজরিওয়ালকে আটকে দেয় পুলিশ। আম আদমি পার্টির এই কর্মসূচিকে অবশ্য গুরুত্ব দিতে নারাজ বিজেপি। দলের সাংসদ তরুণ চুঘ বলেন, ‘এই কর্মসূচি অর্থহীন। ইথানল কৃষকদের সুরক্ষা দেয়। কেজরিওয়াল দেশের কৃষকদের বিরুদ্ধে যাচ্ছেন।’