নয়াদিল্লি: সৌজন্যে এসআইআর। ইতিমধ্যে রাজধানী দিল্লিতে এসআইআরের খসড়া তালিকায় লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। যা নিয়ে বিভ্রান্তি ও হয়রানির অন্ত নেই। এবার হেভিওয়েটরা। দিল্লির মু্খ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের পর নোটিস পেলেন বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা তথা দেশের প্রাক্তন উপ প্রধানমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আদবানি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।
তালিকায় রয়েছেন দিল্লির উপ মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিশোদিয়া, সিবিআই ডিরেক্টর প্রবীণ সুদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা, প্রাক্তন আর্মি চিফ জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী ও তাঁর স্ত্রী, সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জনা দেসাই ও তাঁর পরিবারের লোকজন, সেবি চেয়ারম্যান তুহিন কান্ত পান্ডে। এখানেই শেষ নয়। এসআইআরের কোপে পড়েছেন খোদ নির্বাচন কমিশনার এস এস সান্ধু, বিদেশ সচিব বিক্রিম মিস্রিও। কোথাও ম্যাপিংয়ে গন্ডগোল। কোথাও আবার নামের বানানে ভুল। এভাবেই একাধিক কারণ দেখানো হয়েছে।
এরইমধ্যে এসআইআর নিয়ে ফের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্টমন্ত্রী অমিত শাহকে নিশানা করে তাঁর কটাক্ষ— এসআইআর হল ‘শাহ ইনস্টিগেটেড রিমোভাল’। অর্থাৎ অমিত শাহর প্ররোচনাতেই চলছে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার কাজ। এসআইআর-র মধ্য দিয়ে সংবিধানের উপর হামলা চালানো হচ্ছে। আর এর জেরে সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির ভোটার।