উত্তর প্রদেশে পুলিশ ফাঁড়িতে বিস্ফোরণে জঙ্গি যোগ? হামলার দায় স্বীকার তেহরিক-উল-মুজাহিদিন হিন্দুস্তানের
  • ৭ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:২৩
Prefer us on Google

গাজিয়াবাদ, ৭ নভেম্বর: দীপাবলির আগে তীব্র আতঙ্ক! উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে একটি পুলিশ ফাঁড়িতে ঘটে যাওয়া এক ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল গোটা এলাকা। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ভেঙে চুরমার পুলিশ ফাঁড়ির জানালার কাঁচ, ফাটল দেখা গিয়েছে দেওয়ালেও। প্রাথমিক তথ্যে এসিতে বিস্ফোরণের কথা বলা হলেও, এই ঘটনায় নাশকতা বা জঙ্গি যোগের তথ্য সামনে আসছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় দায় স্বীকার করেছে ‘তেহরিক-উল-মুজাহিদিন হিন্দুস্তান’। যদিও পুলিশের তরফে এখনও কিছু বলা হয়নি, এই পোস্ট নিয়ে।

Advertisement

গাজিয়াবাদের বসুন্ধরা পুলিশ আউটপোস্টে এই ঘটনাটি ঘটে। সেই সময় ফাঁড়ির ভিতরে সাব-ইন্সপেক্টরের কাছে একটি পার্সেল বা পার্সেলজাত বস্তু পৌঁছে দিতে গিয়েছিলেন এক ডেলিভারি বয়। ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটে বিস্ফোরণটি। জখম অবস্থায় ওই ডেলিভারি বয়কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ডিসিপি ট্রান্স হিন্দন এবং এসিপি ইন্দিরাপুরম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। 

কিন্তু এর পরেই পরিস্থিতি মোড় নেয় আরও এক ভয়ঙ্কর দিকে। পুলিশের তরফে ঘটনাটিকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রে বিস্ফোরণ বলা হলেও, সোশ্যাল মিডিয়ায় চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে ‘তেহরিক-উল-মুজাহিদিন হিন্দুস্তান’। প্রকাশ্যে এই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করে ‘গেরুয়া সরকারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ’ বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে। বিস্ফোরণের পরেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ।

দীপাবলিতে নববধূর সাজে সেজে ওঠে উত্তর প্রদেশ। সেখানে পুলিশ ফাঁড়িতে এ ধরনের বিস্ফোরণের ঘটনায় গোটা উত্তরপ্রদেশে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। বিস্ফোরণের পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ফরেন্সিক টিম। এছাড়াও উত্তরপ্রদেশ অ্যান্টি টেররিজ়ম স্কোয়াডের (এটিএস) বিশেষ তদন্তকারী দল সেখানে যায়। পুলিশের তরফে দাবি করা হচ্ছে, কোনো বিস্ফোরক জাতীয় পদার্থ সেখান থেকে পাওয়া যায়নি।