নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: উপ নির্বাচন শেষ। এবার ফলাফল প্রকাশের অপেক্ষায় শাসক-বিরোধী উভয়পক্ষ। মেদিনীপুর বিধানসভার উপ নির্বাচনে তৃণমূলের দাবি, ৫০ হাজারের বেশি ভোটে জয় নিশ্চিত। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সেই বিষয়ে দফায় দফায় ক্যালকুলেশনও করেছে তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব। তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরারও মতে, জয় হবে রেকর্ড মার্জিনে। তবে বিজেপি প্রার্থী শুভজিৎ রায়ের মতে, হাজার পাঁচেক ভোটে জিতবে বিজেপিই। অপরদিকে, জয়ের দৌড়ে না থাকলেও ভোটের পরিমাণ বাড়বে বলে আশাবাদী কংগ্রেস ও সিপিআই উভয়পক্ষ। রাজনৈতিক মহলের মতে, উপ নির্বাচনে চতুর্মুখী লড়াই হলেও, সম্মুখ সমর হয়েছে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে। তবে সরকারি প্রকল্পের সুবিধাগুলো সামনে রেখে ভোটের লড়াইয়ে নামায় অনেকটাই এগিয়ে তৃণমূল। পাশাপাশি গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে ব্যাকফুটে বিজেপি।
Advertisement
এদিন তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরা বলেন, বিরোধী দলগুলো বার বার অভিযোগ করে আসছে, ভোট শান্তিপূর্ণ হয় না। কিন্তু এই উপ নির্বাচন নিয়ে একটা অভিযোগও করতে পারেনি কোনও রাজনৈতিক দল। মানুষ উৎসবের মেজাজে ভোট দিয়েছেন। আমার ধারণা, কমপক্ষে ৫০ হাজার ভোটে লিড থাকবে। বিজেপি সহ বিরোধীরা তাসের ঘরের মতো উড়ে যাবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল থেকেই বিধানসভা এলাকার ৩০৪টি বুথেই ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সকালে তৃণমূল ও পুলিসের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ করেন বিজেপি প্রার্থী। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগের পরিমাণও তলানিতে নেমে আসে। একদিকে যেমন গ্রামীণ এলাকায় চষে বেড়ান বিজেপি প্রার্থী। অপরদিকে শহরে স্কুটি চালিয়ে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তৃণমূল প্রার্থী সুজয়বাবু। জানা গিয়েছে, গত লোকসভা ভোটের নিরিখে পুরসভা এলাকায় অনেকটাই পিছিয়ে ছিল তৃণমূল। এগিয়ে ছিল বিজেপি। উল্টে গ্রামীণ এলাকায় অনেকটাই এগিয়ে ঘাসফুল শিবির। গত বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল পরিমাণে লিড পেলেও, লোকসভা ভোটে মেদিনীপুর বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলের ভোট অনেকটাই কমে যায়। তাই ভোটের আগে বিশেষ অবজারভার নিয়োগ করে মাস্টার স্ট্রোক দেয় ঘাসফুল শিবির। এছাড়া উপ নির্বাচনের অনেক আগে থেকেই জন সংযোগে বাড়তি গুরুত্ব দিতে শুরু করে জেলা নেতৃত্ব। এই সিদ্ধান্ত উপ নির্বাচনে অনেকটাই এগিয়ে রাখছে তৃণমূলকে।
এক তৃণমূল নেতা বলেন, গোষ্ঠী কোন্দল না হলে, লিডের পরিমাণ আরও বাড়ত। বিভিন্ন বুথ থেকে আসা রিপোর্ট পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। তৃণমূল প্রার্থী ১ লক্ষ ১০ হাজারের কাছাকাছি ভোট পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বিজেপি প্রার্থী পেতে পারেন ৬০ হাজারের কাছাকাছি ভোট। প্রার্থী ভূমিপুত্র হওয়ায় জয়ের মার্জিন বাড়বে।
এক বিজেপি নেতা বলেন, প্রথম থেকে কত ভোটে হারব, সেটাই আলোচনা হয়েছে বারবার। কিন্তু ভোট ভালো হওয়ায় আশার আলো দেখা যাচ্ছে। কম ভোটে হলেও জেতার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
বিজেপি প্রার্থী শুভজিৎ রায় বলেন, বুথ এলাকায় কোনও সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেনি। সন্ত্রাসের ঘটনা না হওয়ায় আমাদের কোনও কর্মী জখম হননি। এতে আমি খুশি। মানুষ নিজের ভোট নিজেই দিয়েছেন। এরফলে মানুষের রায় মাথা পেতে নেব। আমার অনুমান হাজার পাঁচেক ভোটে জিতব। তবে একথা না বললেই নয় যে, পুলিসের সাহায্যে বিভিন্ন এলাকায় চাপা সন্ত্রাস চালিয়েছে তৃণমূল।
সিপিআই প্রার্থী মণিকুন্তল খামরুই বলেন, আমাদের বেশিরভাগ বুথে এজেন্ট ছিল। কোথাও কোনও সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেনি। এতে আমি খুশি। তবে ভোটে হার-জিত থাকবেই। মনে করছি, এবারে ভোটের পার্সেন্টেজ বাড়বে, কারণ প্রচারের সময় মানুষের ভালোই সমর্থন পেয়েছি।
কংগ্রেস প্রার্থী শ্যামলকুমার ঘোষ বলেন, চাপা সন্ত্রাস চালিয়েছে তৃণমূল। কংগ্রেসের ভোটের মার্জিন আগের তুলনায় বাড়বে। প্রচারে গিয়ে মানুষের ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। তবে মানুষ যা রায় দেবেন, তা মাথা পেতে নেব।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল থেকেই বিধানসভা এলাকার ৩০৪টি বুথেই ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সকালে তৃণমূল ও পুলিসের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ করেন বিজেপি প্রার্থী। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগের পরিমাণও তলানিতে নেমে আসে। একদিকে যেমন গ্রামীণ এলাকায় চষে বেড়ান বিজেপি প্রার্থী। অপরদিকে শহরে স্কুটি চালিয়ে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তৃণমূল প্রার্থী সুজয়বাবু। জানা গিয়েছে, গত লোকসভা ভোটের নিরিখে পুরসভা এলাকায় অনেকটাই পিছিয়ে ছিল তৃণমূল। এগিয়ে ছিল বিজেপি। উল্টে গ্রামীণ এলাকায় অনেকটাই এগিয়ে ঘাসফুল শিবির। গত বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল পরিমাণে লিড পেলেও, লোকসভা ভোটে মেদিনীপুর বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলের ভোট অনেকটাই কমে যায়। তাই ভোটের আগে বিশেষ অবজারভার নিয়োগ করে মাস্টার স্ট্রোক দেয় ঘাসফুল শিবির। এছাড়া উপ নির্বাচনের অনেক আগে থেকেই জন সংযোগে বাড়তি গুরুত্ব দিতে শুরু করে জেলা নেতৃত্ব। এই সিদ্ধান্ত উপ নির্বাচনে অনেকটাই এগিয়ে রাখছে তৃণমূলকে।
এক তৃণমূল নেতা বলেন, গোষ্ঠী কোন্দল না হলে, লিডের পরিমাণ আরও বাড়ত। বিভিন্ন বুথ থেকে আসা রিপোর্ট পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। তৃণমূল প্রার্থী ১ লক্ষ ১০ হাজারের কাছাকাছি ভোট পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বিজেপি প্রার্থী পেতে পারেন ৬০ হাজারের কাছাকাছি ভোট। প্রার্থী ভূমিপুত্র হওয়ায় জয়ের মার্জিন বাড়বে।
এক বিজেপি নেতা বলেন, প্রথম থেকে কত ভোটে হারব, সেটাই আলোচনা হয়েছে বারবার। কিন্তু ভোট ভালো হওয়ায় আশার আলো দেখা যাচ্ছে। কম ভোটে হলেও জেতার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
বিজেপি প্রার্থী শুভজিৎ রায় বলেন, বুথ এলাকায় কোনও সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেনি। সন্ত্রাসের ঘটনা না হওয়ায় আমাদের কোনও কর্মী জখম হননি। এতে আমি খুশি। মানুষ নিজের ভোট নিজেই দিয়েছেন। এরফলে মানুষের রায় মাথা পেতে নেব। আমার অনুমান হাজার পাঁচেক ভোটে জিতব। তবে একথা না বললেই নয় যে, পুলিসের সাহায্যে বিভিন্ন এলাকায় চাপা সন্ত্রাস চালিয়েছে তৃণমূল।
সিপিআই প্রার্থী মণিকুন্তল খামরুই বলেন, আমাদের বেশিরভাগ বুথে এজেন্ট ছিল। কোথাও কোনও সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেনি। এতে আমি খুশি। তবে ভোটে হার-জিত থাকবেই। মনে করছি, এবারে ভোটের পার্সেন্টেজ বাড়বে, কারণ প্রচারের সময় মানুষের ভালোই সমর্থন পেয়েছি।
কংগ্রেস প্রার্থী শ্যামলকুমার ঘোষ বলেন, চাপা সন্ত্রাস চালিয়েছে তৃণমূল। কংগ্রেসের ভোটের মার্জিন আগের তুলনায় বাড়বে। প্রচারে গিয়ে মানুষের ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। তবে মানুষ যা রায় দেবেন, তা মাথা পেতে নেব।



