নয়াদিল্লি: ‘মহানায়ক উত্তম কুমার চিরদিন মানুষের হৃদয়ে রাজ করবেন’। রবিবার মন কি বাতের ১৩৭ তম পর্বে ভাঙা ভাঙা বাংলায় এভাবেই মহানায়ককে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ৩ সেপ্টেম্বর উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ। তার আগে প্রধানমন্ত্রীর উত্তম-স্মরণকে ঘিরে চর্চা তুঙ্গে। মন কি বাত সম্প্রচারিত হওয়ার পরই প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যদিও কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধী শিবির। একাংশের বক্তব্য, অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে বাংলায় ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। এখন দলবদলের পালা জারি। লোকসভা ভোটের কথা মাথার রেখে এখন থেকেই ঘুঁটি সাজানো শুরু হয়েছে। তাই বাঙালি আবেগে শান দিতে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী।
এদিন নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘যে কোনো চরিত্রে সাবলীলভাবে অভিনয় করতেন উত্তম কুমার। অভিনয় দক্ষতার মধ্য দিয়ে তিনি দর্শকের হৃদয়ে চিরস্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। সিনে বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিচালক সত্যজিত রায় উত্তম কুমারকে মাথায় রেখেই নায়ক সিনেমার পুরো চিত্রনাট্য লিখেছিলেন। প্রতিটি চরিত্রকে জীবন্ত করে তুলতে কঠিন পরিশ্রম করতেন তিনি। তাঁর জীবন থেকে হার না মানার শিক্ষা পাওয়া যায়। শুরুর দিকে সিনেমাগুলি খুব একটা চলেনি। কিন্তু লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হননি তিনি। এর জেরেই একসময় সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছান। কলকাতায় রোড শোর সময় একবার তাঁর বাড়ির সামনে দিয়ে গিয়েছিলাম। একজন আমায় তাঁর ছবিও উপহার দিয়েছিলেন। জন্মশতবর্ষে উত্তম কুমারকে শ্রদ্ধা জানাই।’
এরপরই প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গবাসীর জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। জাতীয় মঞ্চে আমাদের প্রিয় মহানায়কের অমর কীর্তিকে তুলে ধরার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানাই।’ এদিনের ভাষণে দেশবাসীর কাছে ভারতকে মাদকমুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, একটাই লক্ষ্য — ড্রাগ ফ্রি ইয়ুথ, ড্রাগ ফ্রি ইন্ডিয়া। আসুন একসঙ্গে মাদকমুক্ত ভারত গড়ে তুলি। নতুন প্রজন্মকে মজবুত ভবিষ্যৎ উপহার দিই।