সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: বুধবার চারচাকা গাড়ির সঙ্গে পুলকারের সংঘর্ষে বিষ্ণুপুরের বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের এক প্রিন্সিপালের মৃত্যু হয়। মৃতার নাম রুমা বিশ্বাস(৩০)। তাঁর বাড়ি জয়পুরের জুজুড়ে। বিষ্ণুপুরের বনকামারপুরে ওই দুর্ঘটনায় পুলকারে থাকা ছয় পড়ুয়া ও চালক জখম হন। এছাড়াও চারচাকা গাড়ির চালক এবং অপর একজন সামান্য জখম হয়েছেন। তাঁদের প্রত্যেককে বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনায় মৃতের পরিবার ও স্কুলে শোকের ছায়া নেমে আসে। পুলিস জানিয়েছে, এদিন সকাল ১০টা নাগাদ বিষ্ণুপুর-জয়পুর রাস্তায় খড়ের গাড়িটিকে পাশ কাটাতে গিয়ে দু’টি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। তাতে পুলকারে থাকা রুমাদেবীর মৃত্যু হয়। জখমদের চিকিৎসা চলছে।
Advertisement
স্থানীয় ও মৃতার পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, জয়পুরের জুজুড় গ্রামের বাসিন্দা রুমাদেবীর একটি দু’বছরের সন্তান রয়েছে। রুমাদেবী পাঁচ বছর ধরে বিষ্ণুপুরের একটি বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের প্রিন্সিপাল ছিলেন। জয়পুরের একটি আশ্রমের দুই পড়ুয়া এবং ওই এলাকার আরও চার পড়ুয়ার সঙ্গে প্রতিদিন পুলকারে করে স্কুলে যেতেন। এদিনও তাঁরা বিষ্ণুপুর শহরের ওই ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে যাওয়ার জন্য বের হন। তাঁরা সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ জুজুড় থেকে বের হন। জয়পুর-বিষ্ণুপুর মেন রাস্তা ধরে তাঁরা আসছিলেন। সকাল ১০টা নাগাদ বনকামারপুকুরে একই দিকে যাওয়া একটি খড়ের গাড়িকে পাশ কাটাতে যান পলকারের চালক। তখন উল্টো দিক থেকে আসা চারচাকা গাড়িটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। তাতে পুলকারের সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। রুমাদেবী চালকের পাশের আসনে বসেছিলেন। তাই তাঁদের দু’জনের আঘাত বেশি লাগে। পড়ুয়ারা পিছনে ছিল। তুলনামূলক তাদের চোট কম লাগে। সঙ্গে সঙ্গে পুলিস এসে প্রত্যেককে উদ্ধার করে বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে রুমাদেবীর মৃত্যু হয়। চালকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্কুলের অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষিকারা হাসপাতালে যান।
বেসরকারি ওই স্কুল পরিচালন কমিটির সম্পাদক অসীম বিশ্বাস বলেন, রুমাদেবী ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। তাঁর ডিগ্রি ভালো ছিল। সেই জন্য তাঁকে আমাদের স্কুলের বিষ্ণুপুর শাখার প্রিন্সিপাল করা হয়েছিল। অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তিনি তা চালাচ্ছিলেন। কিন্তু, দুর্ভাগ্যবশত এদিনের দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। ছয় পড়ুয়ার মধ্যে দু’জনের চোট বেশি লেগেছে। এছাড়াও চালকেরও বুকে আঘাত লাগায় হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। বাকি চার পড়ুয়াকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়।
বেসরকারি ওই স্কুলের এক অভিভাবক বিষ্ণুপুর শহরের বাসিন্দা ধনঞ্জয় দাস বলেন, প্রিন্সিপাল ম্যাডাম খুবই শৃঙ্খলাপরায়ণ ছিলেন। পড়ুয়াদেরও তিনি সেভাবেই গাইড করতেন। তাঁর এভাবে চলে যাওয়া আমরা মেনে নিতে পারছি না।
বেসরকারি ওই স্কুল পরিচালন কমিটির সম্পাদক অসীম বিশ্বাস বলেন, রুমাদেবী ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। তাঁর ডিগ্রি ভালো ছিল। সেই জন্য তাঁকে আমাদের স্কুলের বিষ্ণুপুর শাখার প্রিন্সিপাল করা হয়েছিল। অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তিনি তা চালাচ্ছিলেন। কিন্তু, দুর্ভাগ্যবশত এদিনের দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। ছয় পড়ুয়ার মধ্যে দু’জনের চোট বেশি লেগেছে। এছাড়াও চালকেরও বুকে আঘাত লাগায় হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। বাকি চার পড়ুয়াকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়।
বেসরকারি ওই স্কুলের এক অভিভাবক বিষ্ণুপুর শহরের বাসিন্দা ধনঞ্জয় দাস বলেন, প্রিন্সিপাল ম্যাডাম খুবই শৃঙ্খলাপরায়ণ ছিলেন। পড়ুয়াদেরও তিনি সেভাবেই গাইড করতেন। তাঁর এভাবে চলে যাওয়া আমরা মেনে নিতে পারছি না।



