সংবাদদাতা, রামপুরহাট: পিকনিকের মরশুমের শুরুতে গ্রামে গ্রামে ঘুরে ডিজে বক্স না বাজানোর বিষয়ে মানুষকে সচেতন করছে নলহাটি থানার পুলিস। সেইসঙ্গে বিভিন্ন পিকনিক স্পটে ফ্লেক্স ঝুলিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে কোনও সামাজিক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বনভোজনে ডিজে ব্যবহার করা যাবে না।
Advertisement
পৌষের শুরুতেই নানা পিকনিক স্পটে চড়ুইভাতি করতে ভিড় জমেছে। নতুন বছরের শুরু থেকে সেই ভিড় কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। প্রতিবারই গ্রামে গ্রামে ইঞ্জিনভ্যানে ডিজে বক্স বেঁধে পিকনিকে যাওয়ার দৃশ্য চোখে পড়ে। তিনবছর ধরে পুলিস পিকনিক স্পটে ডিজে রুখতে একের পর এক অভিযান চালিয়েছে। একাধিক থানার পুলিস সাউন্ড বক্স বাজেয়াপ্ত করেছে। কিন্তু তারপরও এতে পুরোপুরি রাশ টানা সম্ভব হয়নি।
পুলিস জানিয়েছে, ফের নানা জায়গা থেকে ডিজে বাজানোর অভিযোগ আসতে শুরু করেছে। নতুন বছরে নলহাটির শালবন, আকালিপুর, বৈধরা জলাধার, ব্রাহ্মণী নদীর পাড় সহ নানা জায়গায় গ্রামগঞ্জের মানুষ পিকনিক করতে আসবেন। ফলে ফের ডিজের দাপটে স্থানীয়দের জীবন অতিষ্ঠ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই গ্রামে গ্রামে ঘুরে মানুষকে মাইকিং করে সচেতন করা হচ্ছে। তবে কম আওয়াজে সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা যাবে।
পুলিসের এই পদক্ষেপে খুশি আকালিপুরের গুহ্যকালী মন্দিরের সেবাইত দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অন্য বছর এসময় ডিজে বক্সের আওয়াজে ঠিকমতো পুজো করতে পারতাম না। ভক্তদের নাম, গোত্র শুনতে পেতাম না। আশা করি, এবছর শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসবে।
আকালিপুরের বাসিন্দা গৌতম মণ্ডল বলেন, পুলিস ঠিকই পদক্ষেপ করেছে। ক্ষণিকের আনন্দের জন্য চড়া আওয়াজের বক্স বাজালে অন্যের অসুবিধা হতে পারে।
রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক স্বরূপ সাহা বলেন, ডিজে বক্সের চড়া শব্দে হার্টের রোগীর হার্ট অ্যাটাক অবধি হতে পারে। প্রচণ্ড শব্দে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, কানের পর্দা ফেটে যাওয়া, কানের ভিতর হাড়ের সন্ধি খুলে যাওয়া, এমনকী, স্নায়ু পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। চিরদিনের মতো মানুষ শ্রবণশক্তি হারিয়ে ফেলতে পারে। ডিজে বক্স ব্যবহার বন্ধে পুলিসি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে।
পুলিস জানিয়েছে, পিকনিক স্পটে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কোথাও নিয়ম ভেঙে ডিজে বক্স ব্যবহার দেখলেই তা বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপ করা হবে।
পুলিস জানিয়েছে, ফের নানা জায়গা থেকে ডিজে বাজানোর অভিযোগ আসতে শুরু করেছে। নতুন বছরে নলহাটির শালবন, আকালিপুর, বৈধরা জলাধার, ব্রাহ্মণী নদীর পাড় সহ নানা জায়গায় গ্রামগঞ্জের মানুষ পিকনিক করতে আসবেন। ফলে ফের ডিজের দাপটে স্থানীয়দের জীবন অতিষ্ঠ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই গ্রামে গ্রামে ঘুরে মানুষকে মাইকিং করে সচেতন করা হচ্ছে। তবে কম আওয়াজে সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা যাবে।
পুলিসের এই পদক্ষেপে খুশি আকালিপুরের গুহ্যকালী মন্দিরের সেবাইত দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অন্য বছর এসময় ডিজে বক্সের আওয়াজে ঠিকমতো পুজো করতে পারতাম না। ভক্তদের নাম, গোত্র শুনতে পেতাম না। আশা করি, এবছর শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসবে।
আকালিপুরের বাসিন্দা গৌতম মণ্ডল বলেন, পুলিস ঠিকই পদক্ষেপ করেছে। ক্ষণিকের আনন্দের জন্য চড়া আওয়াজের বক্স বাজালে অন্যের অসুবিধা হতে পারে।
রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক স্বরূপ সাহা বলেন, ডিজে বক্সের চড়া শব্দে হার্টের রোগীর হার্ট অ্যাটাক অবধি হতে পারে। প্রচণ্ড শব্দে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, কানের পর্দা ফেটে যাওয়া, কানের ভিতর হাড়ের সন্ধি খুলে যাওয়া, এমনকী, স্নায়ু পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। চিরদিনের মতো মানুষ শ্রবণশক্তি হারিয়ে ফেলতে পারে। ডিজে বক্স ব্যবহার বন্ধে পুলিসি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে।
পুলিস জানিয়েছে, পিকনিক স্পটে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কোথাও নিয়ম ভেঙে ডিজে বক্স ব্যবহার দেখলেই তা বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপ করা হবে।



