কেকেআর ও টিটিকে প্রেস্টিজের অভিনব ডিজিটাল সিরিজ
কেকেআর ও টিটিকে প্রেস্টিজের অভিনব ডিজিটাল সিরিজ
• একটু রাত করে খেলা দেখতে দেখতে অনেকেই ডিনার সারছেন এই আইপিএল মরশুমে। তাই ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য নাইট বাইট নিয়ে এল কলকাতা নাইট রাইডার্স। সহযোগিতায় কুকিং অ্যাপ্লায়েন্সের অন্যতম সেরা ব্র্যান্ড টিটিকে প্রেস্টিজ। এই প্রসঙ্গে পাঁচ পর্বের একটি ডিজিটাল সিরিজ তৈরি হয়েছে। যা প্রকাশ্যে এসেছে গত ৩০ মার্চ। জনপ্রিয় শেফ কুণাল কাপুর এই সিরিজটি উপস্থাপনা করেছেন। কেকেআর খেলোয়াড়দের রান্নাঘরের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা, রান্না করা, ভক্তদের সঙ্গে গল্প করার সঙ্গে খেলোয়াড় ও অনুরাগীদের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি করে। এই প্রসঙ্গে নাইট রাইডার্স স্পোর্টসের গ্রুপ চিফ মার্কেটিং অফিসার বিন্দা দে বলেন, ‘ক্রিকেটের বাইরেও খেলোয়াড় ও অনুরাগীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো, সুসম্পর্ক তৈরির দিকে নজর দিতে এই উদ্যোগ। কলকাতার ক্রিকেটপ্রেমীরা খেলার পাশাপাশি খাওয়াদাওয়া ও ফিটনেসে খুবই আগ্রহী। তাই ক্রিকেট ও খাওয়াকে মিলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছি আমরা।’ টিটিকে প্রেস্টিজের এমডি ও সিইও ভেঙ্কটেশ বিজয়রাঘবন বলেন, ‘খেলোয়াড়দের রান্নাঘরে পা রাখতে দেখা, হাসি-মজা ও আগ্রহের সঙ্গে নানা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে দেখা এই সিরিজটিকে আরও উপভোগ্য করে তুলেছে।
পূর্ব ভারতে প্রথম
স্টোর ডাইসন-এর
• কলকাতায় প্রথমবারের জন্য খুলল ডাইসন স্টোর। শুধু কলকাতাতেই নয়, সাউথ সিটিতে অবস্থিত এই স্টোরটির মাধ্যমে গোটা পূর্ব ভারতে প্রথমবারের জন্য স্টোর খুলল এই সংস্থা। ঘরের মেঝের যত্ন, পরিবেশের যত্ন সহ অডিও এবং আলোর ক্ষেত্রেও নানা আধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্র মিলবে এই স্টোরে। কেনার আগে ডেমো মেশিন ব্যবহারেরও সুযোগ দিচ্ছে সংস্থা। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ভ্যাকিউম ক্লিনার, হেয়ার ড্রায়ার, এয়ারর্যাপ, হেডফোন ইত্যাদি পরখ করে কেনার সুযোগ পাবেন গ্রাহকরা। এই প্রসঙ্গে সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর অঙ্কিত জৈন বলেন, ‘পূর্ব ভারতের প্রথম স্টোরটি কলকাতায় খুলে আমরা গ্রাহকদের আরও বেশি করে পরিষেবা দিতে পারব বলে আশাবাদী। গ্রাহকরা নিজেদের পছন্দ অনুসারে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিও বেছে নিতে পারবেন’
স্কুলপড়ুয়ার
সামাজিক উদ্যোগ
• মডার্ন হাই স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী নিত্য হিমাতসিংকার সক্রিয় ভূমিকায় বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন ৬০ জন শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করল ‘কনসার্ন ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন’। অভিভাবক-সহ নিত্য ছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কনসার্ন ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন, পূর্ব ভারতের রিজিওনাল গ্র্যান্ড লজ ও ডিস্ট্রিক্ট গ্র্যান্ড লজের সদস্যবৃন্দ। এই অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের জোগাড় করা সহ নানা ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে নিত্য। তার দায়িত্ববোধ ও সচেতনতায় মুগ্ধ কনসার্ন ইন্ডিয়ার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার গভীর চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন ভবিষ্যতেও নিত্যর সঙ্গে মিলে তাঁরা সমাজসেবামূলক নানা কাজ করতে চান। নিত্যর মতে, একটি দিন শিশুরা যে মজা ও আনন্দ করে কাটাল, সেটিই আমার পাওনা। শিশু ও কিশোর-কিশোরীরাও এই আয়োজনে অত্যন্ত খুশি। খেলা, আনন্দ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খাওয়াদাওয়া সব মিলিয়ে বেশ জমজমাটভাবে দিনটি কাটল তাদের।
সবুজায়নের সমর্থনে সিদ্ধা গ্রুপ
• নগরোন্নয়ন ও আধুনিক বসতি তৈরির অন্যতম সংস্থা সিদ্ধা গ্রুপ বিশেষ উদ্যোগ নিল। বনভূমি হ্রাস ও ফলস্বরূপ নগরে বন্যপ্রাণীর চলে আসা প্রসঙ্গে এক টক শো-এর আয়োজন করেছে এই সংস্থা। আলোচনায় অংশ নিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত আইএফএস ও মহারাষ্ট্র সরকারের প্রাক্তন প্রধান বনসংরক্ষক সুনীল লিমায়ে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রাক্তন প্রধান বনসংরক্ষক শ্রী প্রদীপ ব্যাস ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অলোকানন্দ রায় প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এবং অভিনেতা ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত। সভাটি পরিচালনা করেন পরিবেশ সংক্রান্ত লেখক ও অধ্যাপক জয়ন্ত বসু। মানবজাতির জন্য বনভূমি সংরক্ষণের গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন প্রত্যেকে। এই প্রসঙ্গে সিদ্ধা গ্রুপের ডিরেক্টর অংশুমান জৈন জানান, ‘নগরে ঘরবাড়ি ও আবাসন তৈরির পরেও আমরা যে সবুজ রক্ষার্থে নানা সামাজিক উদ্যোগ নিই, সেই আগ্রহ থেকেই এই আলোচনাসভা আয়োজন করা হয়। ঠিকঠাক পরিকল্পনা করলে আবাসন ও সবুজ একইসঙ্গে হাত ধরে বাড়তে পারে।’
জুন টমকিন্স-এ
হেয়ার স্টাইল সেমিনার
• সম্প্রতি জুন টমকিন্স স্যাঁলোয় কেশসজ্জার শিল্পীদের নিয়ে একটি সেমিনার হয়। উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান কেশসজ্জা শিল্পী আইডান স্লোয়ান এবং লুক কেনসলো। চার ঘণ্টা ধরে চলা এই সেমিনারে দেশের নানা হেয়ার স্টাইলিস্ট যোগ দেন ও অভিজ্ঞতার আদানপ্রদান হয়। হাতে-কলমে কাজ শেখারও সুযোগ ছিল। প্রতি সেশনে ২০ জন শিল্পী অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। হেয়ার কাট থেকে চুলের যত্ন, স্টাইলিং সবেতেই ছিল আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ পাওয়ার সুযোগ।
সল্ট লেকে সুতা
• মুম্বই, পুনে, বেঙ্গালুরুর পরে জনপ্রিয় দেশীয় ব্র্যান্ড সুতা তাদের ১৫তম এক্সক্লুসিভ স্টোর খুলল কলকাতা সল্ট লেক সেক্টর ১-এ। কলকাতায় সুতার প্রথম স্টোর হয় ২০১৬ সালে, গড়িয়াহাটে। দুই বোন সুজাতা ও তানিয়া বিশ্বাসের হাতে তৈরি এই ব্র্যান্ড জীবনের নানা গল্পের সঙ্গে পোশাকের সংযোগ তৈরির ভাবনায় বিশ্বাসী। সুজাতা জানালেন, ‘সল্ট লেকে আর একটি স্টোর খুলতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। কলকাতার মানুষদের ঐতিহ্য, কারুশিল্প ও সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক।’ তানিয়ার মতে, ‘আমাদের স্বপ্ন ছিল এমন একটি জায়গা তৈরি করা, যেখানে সবাই ভারতীয় হস্তশিল্পের সৌন্দর্যকে অনুভব করতে পারেন। কলকাতার প্রাণবন্ত পরিবেশ আমাদের সে সুযোগ দিয়েছে।’ সুতা-র প্রতিটি স্টোরই যেন ভারতীয় তাঁতিদের শিল্পকর্মের এক প্রদর্শনী! শাড়ি, ব্লাউজ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সামগ্রীতে সেজে উঠেছে স্টোর। স্টোরটি ১১টা থেকে রাত ৯টা খোলা।