দার্জিলিংয়ে কেএসডিএল-এর বাৎসরিক অধিবেশন
দার্জিলিংয়ে কেএসডিএল-এর বাৎসরিক অধিবেশন
কর্ণাটক সোপ অ্যান্ড ডিটার্জেন্ট লিমিটেড বা কেএসডিএল বললে হয়তো একটু খটকা লাগতে পারে পাঠকের। অপরিচিত শোনাচ্ছে গালভারী এই নামটা। কিন্তু যদি বলি মাইসোর স্যান্ডাল সাবান, সঙ্গে সঙ্গেই সবাই এক নামে চিনবেন একে। হ্যাঁ, সংস্থাটি এই চন্দন সাবান তৈরি করেই জায়গা করে নিয়েছে মধ্যবিত্তের ঘরে। সম্প্রতি সংস্থাটির পূর্বাঞ্চলের বাৎসরিক সেলস কনফারেন্স আয়োজিত হয়েছিল দার্জিলিংয়ে। ১২ জুন এই অধিবেশনের আয়োজন করা হয়। এই অধিবেশনে সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডঃ প্রশান্ত পিকেএম বলেন, বিগত কয়েক বছরে এই সংস্থা উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে। তা মূলত সম্ভব হয়েছে রাজ্যের বৃহৎ ও মাঝারি শিল্পমন্ত্রী এমবি পাতিলের বিচক্ষণ নির্দেশনার মাধ্যমে। একইভাবে সংস্থার চেয়ারম্যান, বিধায়ক আপ্পাজি সিএস নাগাগৌড়ার তত্ত্বাবধানও এই উন্নতির ক্ষেত্রে বড়ো ভূমিকা গ্রহণ করেছে। বিগত বছরে এই সংস্থার লাভের অঙ্ক ২,০১৬ কোটি টাকা ছুঁয়েছে। সংস্থার দাবি, বিক্রির নিরিখে এটি একটি রেকর্ড! কর্ণাটক সোপ অ্যান্ড ডিটার্জেন্ট লিমিটেড ১১০ বছর পূর্ণ করে সগৌরবে নিজেদের যাত্রা এগিয়ে নিয়ে চলেছে। এই সমাবেশে বিশেষ প্রশংসিত হন কলকাতা শাখার ম্যানেজার শুভ্রা গুপ্ত। সংস্থার এমডি-র মতে, শুভ্রার নেতৃত্বে পূর্বাঞ্চলে খুবই ভালো ব্যবসায়িক উন্নতি হয়েছে।
শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স-এর ‘বাংলার সোনা’
• শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স বাংলার গর্ব ও স্বর্ণসম ব্যক্তিত্বদের সম্মান জানাতে শুরু করল এক বিশেষ সম্মান, ‘বাংলার সোনা’। এই সম্মাননার প্রথম প্রাপক সঙ্গীতজ্ঞ দেবজ্যোতি মিশ্র। সম্প্রতি কলকাতার রবীন্দ্র সদন-এ তাঁর সঙ্গীত জগতের ৩০ বছরের পথচলার উদ্যাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তাঁকে এই সম্মান প্রদান করা হয়। তাঁর হাতে সম্মান তুলে দেন শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স-এর ডিরেক্টর অর্পিতা সাহা, সঙ্গীতশিল্পী শ্রীকান্ত আচার্য এবং জয়তী চক্রবর্তী। শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স-এর ডিরেক্টর, অর্পিতা সাহা বলেন, ‘দেবজ্যোতি মিশ্রকে ‘বাংলার সোনা’ সম্মান দিতে পেরে আমরা গর্বিত। তিনি সত্যিই সোনার মতো মূল্যবান একজন শিল্পী।’ সেই সন্ধ্যায় দেবজ্যোতি মিশ্রের পরিকল্পনা ও পরিচালনায়, শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্সের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত ‘রবির আলোয় সত্যজিৎ’— এই বিশেষ অনুষ্ঠানে সৃজনশীল উপস্থাপনার সাক্ষী ছিলেন দর্শক। সঙ্গীত পরিবেশন করেন শ্রীকান্ত আচার্য, জয়তী চক্রবর্তী, উপল সেনগুপ্ত, সাহেব চট্টোপাধ্যায় এবং অন্বেষা দত্ত গুপ্ত।