সংবাদদাতা, হবিবপুর: বিভিন্ন উদ্ভিদ সম্পর্কে হাতেকলমে শিক্ষা দিতে পড়ুয়াদের নিয়ে হিজল বনে যাওয়ার আগ্রহ বাড়ছে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। বিভিন্ন প্রজাতির গাছ পড়ুয়ারা স্বচক্ষে পর্যবেক্ষণ করে অনেক কিছু শিখবে বলে মনে করছেন তাঁরা।
সংবাদদাতা, হবিবপুর: বিভিন্ন উদ্ভিদ সম্পর্কে হাতেকলমে শিক্ষা দিতে পড়ুয়াদের নিয়ে হিজল বনে যাওয়ার আগ্রহ বাড়ছে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। বিভিন্ন প্রজাতির গাছ পড়ুয়ারা স্বচক্ষে পর্যবেক্ষণ করে অনেক কিছু শিখবে বলে মনে করছেন তাঁরা।
হবিবপুর ব্লকের শ্রীরামপুর ও ধুমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় ঘন হিজল বন। বিশেষজ্ঞদের মতে এটি এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম। তবে, বনের পরিবেশ ও পশুপাখিদের যাতে ক্ষতি না হয়, সেজন্য এবারও সেখানে পিকনিক বন্ধ করা হতে পারে।
শীতের শুরু থেকেই হিজল বনে বিভিন্ন পরিযায়ী পাখির আনাগোনা বেড়ে যায় প্রতি বছর। পাখিদের যাতে অসুবিধা না হয়, সেজন্য গত বছর পিকনিক করতে গিয়ে প্রশাসনের অনুমতি না পেয়ে ফিরে যেতে হয়েছিল অনেককে। তখন আক্ষেপ প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা।
গত বছর মালদহ কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রায় ৪৫ জন পড়ুয়াকে নিয়ে অনুরাধাপুর এলাকায় হিজল বনে বসে বিশেষ সেমিনার করেন কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। উপস্থিত ছিলেন গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ডঃ সুদীপ্ত কুমার শীল। তিনি বলেন, প্রকৃতির গুরুত্ব ও সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে ছাত্রছাত্রীদের জানা প্রয়োজন রয়েছে। এবছর একইভাবে ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে সেমিনারের চিন্তাভাবনা রয়েছে। বর্ষায় হিজল বনের ভিতরে পুনর্ভবা নদীর জল বেড়ে জলমগ্ন হয়ে পড়ে পুরো এলাকা। সেই জল বহুদিন পর্যন্ত থেকে যায় বনের বিভিন্ন অংশে। অনেকে নৌকোয় চেপে জঙ্গলের ভিতর ঘুরে সৌন্দর্য উপভোগ করেন। তবে, পিকনিকে আসা পর্যটকদের ডিজে বক্স ও কোলাহলে বনের পশু ও পরিযায়ী পাখিদের সমস্যা বাড়ে। তাদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে গত বছর থেকে প্রশাসনের তরফে বনে পিকনিকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
বনদপ্তরের আধিকারিক লতিব শেখ বলেন, এবছর পিকনিকের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে কিনা, এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী অনুমতির বিষয়টি নির্ভর করবে।