সংবাদদাতা, ফালাকাটা: উত্তরবঙ্গে অন্যতম বৃহৎ কৃষক বাজার ফালাকাটায়। শীতের মরশুমে এই বাজারেই সব্জির দাম তলানিতে। ফলে খেত থেকে গাড়ি বোঝাই করে সব্জি এনে লোকসানের মুখে পড়ছেন চাষিরা। উল্টো ঘরের টাকায় দিতে হচ্ছে গাড়ি ভাড়া। এমন অবস্থায় তাঁরা বিপুল ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলে জানিয়েছেন চাষিরা।
Advertisement
চাষিরা বলেন, খুচরো বাজারে এখন ফুলকপি ও বাঁধাকপি কেজি প্রতি ৩ থেকে ৩.৫০ টাকার আশেপাশে। আর কৃষক বাজারে ৫০ কেজি ফুল ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকা দরে। খেত থেকে তুলে বাজারে নিয়ে আসতে খরচ হচ্ছে আরও কিছু টাকা। ফালাকাটা কৃষক বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, ভিনরাজ্যে সব্জি পাঠানো যাচ্ছে না। তাই দাম পাওয়া যাচ্ছে না।
ফালাকাটা কৃষক বাজার কাঁচা সব্জি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুকুমার মিত্র, আলু ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক হিড়ম্বকুমার সাহা বলেন, এখানকার সব্জি উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে যায়। বর্তমানে অসমে আলু পরিবহণ বন্ধ। বাইরের রাজ্য থেকেও পাইকাররা আসছেন না। তাই কাঁচা সব্জি বিক্রি তলানিতে এসে ঠেকেছে।
মুকুলডাঙার কৃষক ঋতেশ বর্মন, পরিতোষ বর্মন বলেন, যা পরিস্থিতি তাতে এভাবে চললে চাষিরা আগামী মরশুমে ফুলকপি, বাঁধাকপি উৎপাদনে উৎসাহ হারাবেন। এ বিষয়ে আলিপুরদুয়ার আরএমসি’র সচিব উত্তম ভৌমিক বলেন, আমদানি বেশি হওয়ায় এই সমস্যা। অন্য জেলায় সব্জি পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল কিন্তু ওসব জেলায় সব্জির আমদানি বেশি থাকায় নিচ্ছে না। সরকারিভাবে ভিনরাজ্যে পাঠানোর ব্যাপারে কোনও নির্দেশিকা আসেনি।
ফালাকাটা কৃষক বাজার কাঁচা সব্জি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুকুমার মিত্র, আলু ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক হিড়ম্বকুমার সাহা বলেন, এখানকার সব্জি উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে যায়। বর্তমানে অসমে আলু পরিবহণ বন্ধ। বাইরের রাজ্য থেকেও পাইকাররা আসছেন না। তাই কাঁচা সব্জি বিক্রি তলানিতে এসে ঠেকেছে।
মুকুলডাঙার কৃষক ঋতেশ বর্মন, পরিতোষ বর্মন বলেন, যা পরিস্থিতি তাতে এভাবে চললে চাষিরা আগামী মরশুমে ফুলকপি, বাঁধাকপি উৎপাদনে উৎসাহ হারাবেন। এ বিষয়ে আলিপুরদুয়ার আরএমসি’র সচিব উত্তম ভৌমিক বলেন, আমদানি বেশি হওয়ায় এই সমস্যা। অন্য জেলায় সব্জি পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল কিন্তু ওসব জেলায় সব্জির আমদানি বেশি থাকায় নিচ্ছে না। সরকারিভাবে ভিনরাজ্যে পাঠানোর ব্যাপারে কোনও নির্দেশিকা আসেনি।



