


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: স্কুলগুলিতে স্থায়ীভাবে স্পেশাল এডুকেটর নিয়োগের জন্য তিনসপ্তাহ সময় বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ছাত্রছাত্রীদের জন্য তাঁদের দরকার। এইসময়ের মধ্যে নিয়োগ সম্পন্ন করে আদালতে এফিডেভিট জমা দিতে হবে। নির্দেশ না মানা হলে রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব পদমর্যাদার এক আধিকারিক বা শিক্ষাদপ্তরের প্রধান সচিবকে সশরীরে উপস্থিত হতে হবে আদালতে। তাঁরাই সেই ব্যর্থতার কারণ দর্শাবেন দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দেওয়া হলেও বৃহস্পতিবার সেটি আদালতের ওয়েবসাইটে তোলা হয়েছে। দেশের সব রাজ্যের ক্ষেত্রেই এই নিয়ম কার্যকর হবে।
ওবিসি জটিলতার মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশে রাজ্য সরকার খানিকটা বিপাকেই পড়েছে। এর আগে স্পেশাল এডুকেটর নিয়োগ নিয়ে পদক্ষেপ শুরু করলেও বিভিন্ন কারণে তা থমকে গিয়েছে। তার উপরে তৈরি হয়েছে ওবিসি সংক্রান্ত জটিলতা। তবে, এই জটিলতা আদালতে কারণ হিসেবেও দেখাতে পারবে রাজ্য। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। যদিও, চুক্তির ভিত্তিতে রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে কর্মরতদের তরফে আদালতে অন্যতম কনটেম্পট পিটিশনার ছিলেন ইন্দ্রজিৎ মিস্ত্রি। তিনি বলেন, ‘আমরা ২০১০ সালের আগে থেকে কর্মরত। ১০৭৫ জন এমন শিক্ষক রয়েছেন। তাই আমাদের স্থায়ীভাবে নিয়োগের ক্ষেত্রে ওবিসি জটিলতার বিষয়টি কারণ হবে না। আর নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে আদালত এই সময়সীমা বেঁধে দেয়নি। প্রক্রিয়া শুরু করতে বলেছে মাত্র। আমাদের আশা, রাজ্য সরকার যথাসময়েই নিয়োগ সম্পন্ন করবে।’
প্রসঙ্গত, পিটিশনারদের হয়ে সওয়াল করেন প্রশান্ত শুক্লা, পরমেশ্বর সিং পাটুলিয়া এবং শোয়েব আলম। তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের ৭ মার্চ দেওয়া নির্দেশের ভিত্তিতেই দ্রুত নিয়োগের জন্য সওয়াল করেন।