সংবাদদাতা, ইসলামপুর: ডালখোলা হাইস্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতির পদ থেকে সরে যেতে চাইছেন তৃণমূল নেতা তথা কাউন্সিলার আলি রেজা খান। পদত্যাগপত্র জমা করতে শুক্রবার স্কুলেও গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে দেখা না হওয়ায় সেদিন পদত্যাগ করা হয়নি। সোমবার ফের স্কুলে যাবেন তিনি। হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও রেজার দাবি, শরীর ভালো নেই বলে এই সিদ্ধান্ত।
Advertisement
২০০৩ সাল থেকে টানা তিনবার ১৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার হয়েছেন রেজা। মাঝে একবার ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। টাউন তৃণমূল সহ সভাপতি পদেও রয়েছেন তিনি।
এপ্রসঙ্গে টাউন তৃণমূল সভাপতি গোপাল রায় বলেন, দলের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক আছে। দল এবং পুরসভার সমস্ত কর্মসূচিতেই তিনি থাকেন। পরিচালন সমিতির পদ থেকে হঠাৎ কেন পদত্যাগ করতে চাইছেন, সে বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়।
রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছে, গত পুর নির্বাচনের পর চর্চা হচ্ছিল রেজা ভাইস চেয়ারম্যান হতে পারেন। কিন্তু দল ফিরোজ আহমেদকে সেই পদে বসায়। সম্প্রতি পুরসভার চেয়ারম্যান স্বদেশ সরকার ও ফিরোজের কাজিয়া প্রকাশ্যে এসেছিল। সেই সময়ও ফিরোজকে সরিয়ে রেজাকে ভাইস চেয়ারম্যান করার আলোচনা শুরু হয়েছিল। শেষপর্যন্ত অবশ্য তাতে সিলমোহর পড়েনি। এসবের ফলে নেতৃত্বের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে রেজা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না, তা নিয়েও বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে। স্কুলের পরিচালন সমিতির অন্যতম সদস্য রক্ষিত সাহা বলেন, আমাদের মধ্যে কোনও সমস্যা নেই।
রেজা বলেন, প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে। সোমবার পরিচালন সমিতির অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে তিনি আলোচনার পর আমাকে ডাকবেন বলে জানিয়েছেন। শরীর ভালো নেই বলেই সরে যেতে চাইছি।
এপ্রসঙ্গে টাউন তৃণমূল সভাপতি গোপাল রায় বলেন, দলের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক আছে। দল এবং পুরসভার সমস্ত কর্মসূচিতেই তিনি থাকেন। পরিচালন সমিতির পদ থেকে হঠাৎ কেন পদত্যাগ করতে চাইছেন, সে বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়।
রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছে, গত পুর নির্বাচনের পর চর্চা হচ্ছিল রেজা ভাইস চেয়ারম্যান হতে পারেন। কিন্তু দল ফিরোজ আহমেদকে সেই পদে বসায়। সম্প্রতি পুরসভার চেয়ারম্যান স্বদেশ সরকার ও ফিরোজের কাজিয়া প্রকাশ্যে এসেছিল। সেই সময়ও ফিরোজকে সরিয়ে রেজাকে ভাইস চেয়ারম্যান করার আলোচনা শুরু হয়েছিল। শেষপর্যন্ত অবশ্য তাতে সিলমোহর পড়েনি। এসবের ফলে নেতৃত্বের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে রেজা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না, তা নিয়েও বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে। স্কুলের পরিচালন সমিতির অন্যতম সদস্য রক্ষিত সাহা বলেন, আমাদের মধ্যে কোনও সমস্যা নেই।
রেজা বলেন, প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে। সোমবার পরিচালন সমিতির অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে তিনি আলোচনার পর আমাকে ডাকবেন বলে জানিয়েছেন। শরীর ভালো নেই বলেই সরে যেতে চাইছি।



