


দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি: মাসে এক হাজার টাকা পেনশনে সম্মানজনক জীবনধারণ করা কঠিন। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি হচ্ছে। একইসঙ্গে দাম বাড়ছে ওষুধপত্র এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার। এই পরিস্থিতিতে অবিলম্বে মাসে ইপিএফের ন্যূনতম পেনশনের পরিমাণ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হোক। জরুরি বৈঠক ডেকে এব্যাপারে দিশানির্দেশ স্থির করা প্রয়োজন। এই মর্মেই ইপিএফ পেনশন বাড়ানোর সুপারিশ করেছে বিজেপি সাংসদেরই নেতৃত্বাধীন শ্রম সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। সেইমতোই সারা দেশের লক্ষ লক্ষ ইপিএফ পেনশনভোগীর আর্থিক সুরাহার সুপারিশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদে এসংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করেছে বিজেপি সাংসদ বাসবরাজ বোম্মাইয়ের সংসদীয় কমিটি। রিপোর্টে কমিটি জানিয়েছে, জীবনযাপনের খরচ বেড়ে যাওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন এমপ্লয়িজ পেনশন স্কিমে, ১৯৯৫ মাসে ন্যূনতম পেনশনের পরিমাণ অপরিবর্তিত অবস্থায় রেখে দেওয়া হয়েছে। এখনও পেনশনভোগীরা ইপিএফে মাসে ন্যূনতম মাত্র এক হাজার টাকা করে পেনশন পাচ্ছেন। একজন ইপিএফ পেনশনভোগী মাসে সর্বনিম্ন যে টাকা পান, তা তাঁর জীবনযাপনের ন্যূনতম চাহিদাও মেটাতে পারে না। ফলে সরকারকে অবিলম্বে এব্যাপারে দিশানির্দেশ স্থির করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কীভাবে পেনশনের পরিমাণ বৃদ্ধি করা সম্ভব। এপ্রসঙ্গে এমপ্লয়িজ পেনশন স্কিমের ১৯৯৫ বরাদ্দের পরিমাণও বাড়িয়ে দেওয়ার সুপারিশ করেছে শ্রম সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। ন্যূনতম পেনশনের পরিমাণ এক হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে অন্তত সাড়ে সাত হাজার টাকা করার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই সরব হয়েছে সর্বভারতীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি। সম্প্রতি দিল্লিতে এহেন দাবিতে তিনদিনব্যাপী ধরনা অবস্থান করেছেন প্রবীণ পেনশন গ্রাহকরা। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গেও দেখা করেছেন তাঁরা।