সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: শিক্ষকের বদলির প্রতিবাদে স্কুলে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন অভিভাবক এবং গ্রামের বাসিন্দারা। যার ফলে স্কুলে বন্ধ রইল পঠনপাঠন। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে কুমারগ্রাম ব্লকের বারোবিশা দক্ষিণ রামপুর এসপি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: শিক্ষকের বদলির প্রতিবাদে স্কুলে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন অভিভাবক এবং গ্রামের বাসিন্দারা। যার ফলে স্কুলে বন্ধ রইল পঠনপাঠন। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে কুমারগ্রাম ব্লকের বারোবিশা দক্ষিণ রামপুর এসপি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
ওই স্কুলে ২২জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন চার জন। ফলে স্কুলের সহ-শিক্ষক সত্যজিৎ সাহাকে অন্য একটি স্কুলে বদলি করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই শনিবার ক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবক এবং স্থানীয়রা। অভিভাবকরা জানান, সহ-শিক্ষক সত্যজিৎ সাহা স্কুলে যোগদান করার পর পঠনপাঠনের মান উন্নত হয়েছে। বর্তমানে স্কুল ভালোভাবে চলছে। বাচ্চাদের পড়াশোনায় মন বসছে। ওদের আগ্রহ বাড়ছ। তাই সত্যজিৎ সাহার বদলি তাঁরা মানবেন না।
এদিন সকালে শিক্ষক-শিক্ষিকারা স্কুলে এসে দেখেন, দরজায় তালা ঝোলানো রয়েছে। ফলে এদিন পঠনপাঠন বন্ধ থাকে। তালা বন্ধ অবস্থায় এদিন স্কুল ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়।
এই বিষয়ে স্কুলের সহ-শিক্ষক সত্যজিৎ সাহা বলেন, স্কুলে ২২ জন ছাত্রছাত্রীর জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন ৪জন। অতিরিক্ত শিক্ষক থাকায় উদ্বৃত্ত হিসেবে আমাকে বদলি করা হয়েছে। কারণ, আমি অন্য শিক্ষকদের থেকে জুনিয়র। কিন্তু এখানকার মানুষ চাইছেন, আমি এই স্কুলেই থেকে যাই। যদি আমাকে এই স্কুলে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়, তাহলে আমি এখানেই থাকব। যদি আমাকে অন্য স্কুল যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়, তাহলে সেটা করব। এই বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যা নির্দেশ দেবে, আমি সেই অনুযায়ী কাজ করব।
এই বিষয়ে আলিপুরদুয়ার জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান পরিতোষ বর্মন বলেন, দক্ষিণ রামপুর এসপি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীর তুলনায় শিক্ষক-শিক্ষিকা বেশি রয়েছেন। তাই সাময়িকভাবে ওই শিক্ষককে অন্য স্কুলে বদলি করা হয়েছে। এটা কিছুদিনের জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে করা হয়েছে। ওই শিক্ষককে পরবর্তীতে এই স্কুলেই ফিরিয়ে আনা হবে। অভিভাবক ও গ্রামবাসীদের কাছে অনুরোধব, যেন কোনও ভুল বোঝাবুঝি না হয়।