গোপাল সূত্রধর, বালুরঘাট: সমাজসেবার উদ্দেশ্যেই প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ক্লাব। তাই প্রতিবছর সমাজসেবার মাধ্যমেই দুর্গাপুজোয় মেতে ওঠে বালুরঘাটের পরাণপুর স্পোর্টিং ক্লাব অ্যান্ড লাইব্রেরি। পরাণপুরের আশপাশে তেমন পুজো হয় না। তাই ওই ক্লাবের পুজো উৎসবের চেহারা নেয়। পুজোর পাঁচদিন চলবে সমাজসেবা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। একাদশীতে বসবে মেলা।
ক্লাবের সভাপতি ভোলা দাস বলেন, আমাদের ক্লাব সমাজসেবার উদ্দেশ্যেই প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। তাই সারাবছরই সমাজসেবামূলক কাজ করি। এবছরও পুজোয় আমরা বস্ত্র বিতরণ করব। পুজোয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। একাদশীতে এখানে মেলা বসে। প্রচুর মানুষ আসেন।
ক্লাবের সম্পাদক রঞ্জনকুমার মণ্ডল বলেন, গ্রামের আশেপাশে পুজো হয় না। তাই আমাদের ক্লাবের পুজোয় এলাকার বহু মানুষ শামিল হন। পুজোর কয়েকদিন সবাই আনন্দে মেতে ওঠেন। পুজোর জন্য প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা বাজেট ধরা হয়েছে। তবে এবার সরকারি অনুদান পেয়ে গ্রামের পুজো অনেকটাই বড় আকারে করা হচ্ছে।
১৯৬৪ সালে বালুরঘাট ব্লকের ডাঙ্গা গ্রামপঞ্চায়েতের পরাণপুর গ্রামের বাসিন্দারা পরাণপুর স্পোর্টিং ক্লাব অ্যান্ড লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। মূলত এলাকায় সমাজ সেবামূলক কাজই করা হতো। পরবর্তীতে লাইব্রেরিও গড়ে তোলা হয়। সারাবছরই ক্লাবের সদস্যরা রক্তদান শিবির, বস্ত্র বিতরণ, খেলা সহ নানা কর্মসূচি করে থাকে। এবছর এই ক্লাবের পুজো ৬৩তম বর্ষে পড়ল। এবছর পুজো মণ্ডপ কাল্পনিক। প্রতিমায় সাবেকিয়ানা থাকছে। স্থানীয় শিল্পীরাই প্রতিমা ও প্যান্ডেল বানাচ্ছেন। থাকছে বাহারি আলো। অষ্টমীতে অঞ্জলী দিতে ভিড় পড়ে যায়। ক্লাবের সদস্যরা। নিজস্ব চিত্র