Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পান্তাভাত, কচুশাক ও চালতার চাটনি জগদ্ধাত্রী পুজোর ভোগে

বহরমপুর স্বর্ণময়ী স্পোর্টিং ক্লাবের জগদ্ধাত্রী পুজোয় দশমীর ভোগে দেওয়া হয় পান্তাভাত, কচুশাক ও চালতার চাটনি।

পান্তাভাত, কচুশাক ও চালতার চাটনি জগদ্ধাত্রী পুজোর ভোগে
  • ৩১ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বহরমপুর: বহরমপুর স্বর্ণময়ী স্পোর্টিং ক্লাবের জগদ্ধাত্রী পুজোয় দশমীর ভোগে দেওয়া হয় পান্তাভাত, কচুশাক ও চালতার চাটনি। স্পোর্টিং ক্লাবের জগদ্ধাত্রীর সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী পুজো হয় একদিনে। নবমীতে মায়ের ভোগে থাকে পঞ্চব্যাঞ্জন সহ পোলাও, খিচুড়ি, আলুরদম, পরমান্ন, জলপাইয়ের চাটনি। নবমী পুজো শেষে প্রায় দেড় হাজার ভক্তকে কন্টেনারে সেই ভোগ বিলি করা হয়। ক্লাবের সদস্য কুন্তল চট্টোপাধ্যায় বলেন, কাউকে খালি হাতে ফেরানো হয় না। পুজোর উপাচারেও কোনও ঘাটতি রাখা হয় না। স্পোর্টিং ক্লাবের দুর্গাপুজো এবছর প্লাটিনাম জয়ন্তী পার করেছে। আট বছর আগে ক্লাবে জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু হয়েছে। ক্লাব প্রাঙ্গণে জগদ্ধাত্রীর স্থায়ী মন্দির নির্মাণ করে সেখানেই পুজোর সূচনা হয়। পুজোর অন্যতম উদ্যোক্তা জয়ন্ত ঘোষ বলেন, জগদ্ধাত্রী পুজোর জন্য কোনও চাঁদা তোলা হয় না। পুজোর সমস্ত ব্যয়ভার ক্লাব সদস্যরাই বহন করেন। তবে পুজোয় অংশগ্রহণে সবার সমান অধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রথম বছর জগদ্ধাত্রীর আবাহন হয়েছিল আড়ম্বরহীন ভাবেই। ধীরে ধীরে আড়ম্বর বেড়েছে। এখন পাড়া ছাড়িয়ে পুজোর খ্যাতি ছড়িয়েছে গোটা শহরে। 

Advertisement

বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই পুজো শুরু হয়েছে। তিথি অনুসারে সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী পুজো একদিনেই হয়। শুক্রবার হবে দশমী। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই স্থানীয় মানুষ পুজো ও অঞ্জলি দিতে ভিড় জমিয়েছিলেন। পুজো কমিটির সদস্য রমেন চৌধুরী বলেন, স্পোর্টিং ক্লাব সারা বছর সামাজিক কাজে যুক্ত থাকে, দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ায়। এটাই এই ক্লাবের ঐতিহ্য।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ