Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিডিও অফিসের গোপন তথ্য দিতে রাজি হননি, মিনিমাম ওয়েজ ইনসপেক্টরকে প্রাণে মারার চেষ্টা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির স্বামীর!

কথা মতো কাজ করেননি। তাই বিডিও অফিসের মিনিমাম ওয়েজ ইনসপেক্টরকে প্রাণে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠল কালিয়াচক তিন নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির স্বামীর বিরুদ্ধে।

বিডিও অফিসের গোপন তথ্য দিতে রাজি হননি, মিনিমাম ওয়েজ ইনসপেক্টরকে প্রাণে মারার চেষ্টা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির স্বামীর!
  • ২৪ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কালিয়াচক: কথা মতো কাজ করেননি। তাই বিডিও অফিসের মিনিমাম ওয়েজ ইনসপেক্টরকে প্রাণে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠল কালিয়াচক তিন নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির স্বামীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে কালিয়াচক তিন নম্বর বিডিও অফিসের মধ্যে। ইতিমধ্যে ওই ইনসপেক্টর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির স্বামী তরুণ ঘোষের বিরুদ্ধে বৈষ্ণবনগর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

Advertisement

পুলিস সূত্রে খবর, শুক্রবার বিকেল চারটে নাগাদ বিডিও অফিসে যান তরুণ। স্ত্রীর চেম্বারে গিয়ে কয়েকজন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যের সঙ্গে কিছুক্ষণ আলোচনা করেন। এরপরেই অফিস থেকে অধিকাংশ কর্মচারী বেরিয়ে গেলে তরুণ সটান চলে যান ইনসপেক্টর মহম্মদ আলির দপ্তরে। অভিযোগ, সেখানে গিয়ে তরুণ অফিসের কিছু গোপন তথ্য জানতে চান। কিন্তু মহম্মদ দিতে অস্বীকার করায় ঘর বন্ধ করে ধমক দেন তরুণ। তাতেও রাজি না হওয়ায় কিল, ঘুষি, লাথি মারতে থাকেন। তাঁর কয়েকজন সাগরেদ সেই সময় দরজা বন্ধ করে মহম্মদকে ঘিরে ধরেছিল। এরপরেই তরুণ প্রাণে মারার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। চিত্কার শুনে কয়েকজন কর্মী গিয়ে মহম্মদকে উদ্ধার করে স্থানীয় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। মহম্মদের বুকে ও মাথায় গুরুতর চোট রয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। 
মহম্মদের অভিযোগ, আগেও তরুণ বিভিন্ন বিষয়ে ধমকেছিলেন। এদিন বিডিও অফিসের কিছু গোপন তথ্য জানতে চান। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে তথ্য চাওয়ার জন্য বলি। কিন্তু কথা না শুনে গালিগালাজ শুরু করেন তরুণ। প্রতিবাদ করলে বেধড়ক মারধর করেছেন। গলা টিপে প্রাণে মারার চেষ্টা করা হয়। তরুণের বিরুদ্ধে বৈষ্ণবনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।
ঘটনাটি অস্বীকার করেছেন তরুণ। তাঁর দাবি, মহম্মদ আলির অভিযোগ ভিত্তিহীন। কারও প্ররোচনায় আমাকে ফাঁসানোর জন্য এসব করছেন। 
পুলিস জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করা হচ্ছে। এবিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন বিডিও সুকান্ত শিকদার। তাঁকে একাধিকবার ফোন ও মেসেজ করা হলেও উত্তর দেননি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ