Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

বাংলাদেশকে ব্যবহার করে ‘চিকেন নেক’কে টার্গেট পাকিস্তানের!

পহেলগাঁওয়ের জঙ্গি হামলার বদলা নিতে প্রস্তুত কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যে পাকিস্তানকে ‘টাইট’ দিতে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে

বাংলাদেশকে ব্যবহার করে ‘চিকেন নেক’কে টার্গেট পাকিস্তানের!
  • ২৬ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সুব্রত ধর, শিলিগুড়ি: পহেলগাঁওয়ের জঙ্গি হামলার বদলা নিতে প্রস্তুত কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যে পাকিস্তানকে ‘টাইট’ দিতে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এবং লস্কর ও জয়েশের মতো জঙ্গি সংগঠন ‘চিকেন নেক’ শিলিগুড়িতে বিশৃঙ্খলা পাকাতে পারে বলে আশঙ্কা। ইতিমধ্যে চীন ও পাকিস্তানের সহযোগিতায় লালমনিরহাটে পূর্ণাঙ্গ বায়ুসেনা ঘাঁটি তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। ‘সংবেদনশীল’ চিকেন নেকে তাই নজরদারি বাড়িয়েছে সেনা। সতর্ক করা হয়েছে পুলিস ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাকে। 

Advertisement

কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে ২৬ জন পর্যটককে নৃশংসভাবে খুন করেছে পাক জঙ্গিরা। সেই ঘটনার পর কেন্দ্রীয় সরকার সিন্ধু জলচুক্তি ও পাকিস্তান নাগরিকদের ভিসা বাতিলের মতো একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। রাফাল, সুখোই নিয়ে হামলার প্রস্তুতিও চলছে বলে খবর। এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে পাল্টা ‘চিকেন নেকে’ অশান্তি পাকাতে পারে পাক জঙ্গিরা।
গোয়েন্দা সূত্রের খবর, বাংলাদেশে বর্তমানে মহম্মদ ইউনুসের সরকার। যেদিন থেকে ইউনূস দায়িত্ব নেন, সেদিন থেকেই সেখানকার মাটিতে ভারত বিরোধী বিষ ছড়ানো হয়। উল্টোদিকে তাদের সঙ্গে পাকিস্তানের সখ্য ক্রমবর্ধমান। এই অবস্থায় বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে চিকেন নেককে টার্গেট করা হতে পারে। সম্ভবত এজন্যই লালমনিরহাটে পূর্ণাঙ্গ বায়ুসেনা ঘাঁটি তৈরির উদ্যোগ শুরু হয়েছে। যা কার্যত শিলিগুড়ির নাকের ডগায়।
সম্ভবত এজন্যই উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার শিলিগুড়ি করিডর বা চিকেন নেকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এই করিডরের পাশেই বাংলাদেশ ও নেপাল সীমান্ত। এই করিডর দার্জিলিং জেলা পুলিস এবং শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পলিস কমিশনারেটের অধীনে। ইতিমধ্যে পুলিস বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় হাট, বাজার, রেলস্টেশন, বাসস্ট্যান্ডে নজরদারি বাড়িয়েছে। পাসপোর্ট নিয়ে এদেশে আসা বাংলাদেশিদের সম্পর্কে খোঁজখবর রাখা হচ্ছে। নিয়মিত হোটেলে গিয়ে রেজিস্টার খতিয়ে দেখার পাশাপাশি বিদেশি নাগরিকদের সম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছে পুলিস। দার্জিলিংয়ের পুলিস সুপার প্রবীণ প্রকাশ বলেন, হাট, বাজার, রেল স্টেশনে নজরদারি চালানোর পাশাপাশি নিয়মিত জেলার প্রবেশ ও বাহির পথে নাকা তল্লাশি অভিযান চলছে। এসএসবি, বিএসএফ এবং সেনাবাহিনীর সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হয়েছে। শিলিগুড়ি পুলিস কমিশনারেটের এক অফিসার বলেন, নিয়মিত নাকাতল্লাশি চালানোর পাশাপাশি ‘অ্যান্টি সাবোতাজ টিম’ টিমকেও সক্রিয় করা হয়েছে। পুলিসের পাশাপাশি বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ এবং নেপাল সীমান্তে এসএসবি নজরদারি বাড়িয়েছে। বায়ুসেনার বাগডোগরা ও হাসিমারা ঘাঁটি সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন সেনা ছাউনিকে কেন্দ্র সতর্ক করেছে বলে খবর।       

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ