


নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: আবার সেই মেটিয়াবুরুজ! শুনানিতে ডাক পাওয়ার নিরিখে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় শীর্ষে ছিল এই বিধানসভা। নির্বাচন কমিশনের তরফে প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখা যাচ্ছে, বিচারাধীন ভোটারের সংখ্যাও এই বিধানসভা কেন্দ্রেই সর্বাধিক। কমিশন সূত্রে খবর, সিইও অফিস থেকে বিচারকদের লগ-ইন আইডিতে মেটিয়াবুরুজের ৭৭ হাজারের বেশি নাম পাঠানো হয়েছে। যাচাই শেষ করতে এই বিধানসভার জন্য তাই তিনজন বিচারককে দেওয়া হয়েছে। তারপরও সময়ে সব শেষ করা যাবে কি না, সংশয় থাকছেই। এদিকে, খসড়া তালিকায় মেটিয়াবুরুজের দুই জীবিত ভোটারকে ‘মৃত’ দেখানো হয়েছিল। তাঁদের সামনে এনে কমিশনের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চূড়ান্ত তালিকায় অবশ্য এই দু’জনের নাম উঠেছে।
জানা গিয়েছে, এই বিধানসভা থেকে শুনানিতে ডাক পেয়েছিলেন এক লক্ষ পাঁচ হাজার ভোটার। সেই কাজ শেষ করতে কালঘাম ছুটে গিয়েছিল ২০ জনের বেশি এইআরও’র। তার মধ্যে ৯৬ হাজার আবেদন ‘রোল ব্যাক’ বা ফেরত পাঠিয়ে পুনর্যাচাইয়ের নির্দেশ দেন রোল ও মাইক্রো অবজার্ভাররা। এত আবেদন খতিয়ে দেখতে বাড়তি লোকবল যুক্ত করতে হয়েছিল কমিশনকে। এই অবস্থায় ৭৭ হাজার ভোটারের ভাগ্য কীভাবে এবং কত তাড়াতাড়ি নির্ধারণ করা যাবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। কারণ, তিনজন বিচারকের পক্ষে এই বিপুল সংখ্যক আবেদন যাচাই করে নিষ্পত্তি যে বেশ কঠিন, মানছেন প্রশাসনিক কর্তারাও। মেটিয়াবুরুজের ২১৫ পার্টের বাসিন্দা মায়া দাস ও ১৪২ পার্টের মনিরুল ইসলাম মোল্লাকে খসড়া তালিকায় ‘মৃত’ বলে দেখানো হয়েছিল। এনিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। পরে এই বিধানসভার নির্বাচনি আধিকারিকরা ভুল শুধরে তাঁদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় তুলতে সবরকম উদ্যোগ নেন। ফর্ম ৬ পূরণ করার পর এঁদের নাম উঠেছে।