Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আমার বাড়ি প্রকল্পে টাকা নিয়ে বাড়ি না করে ডেবরায় দেড় শতাধিক উপভোক্তা বেপাত্তা

রাজ্য সরকারের বাংলার বাড়ি প্রকল্পে প্রথম পর্যায়ে টাকা নিয়ে বেপাত্তা উপভোক্তারা। ডেবরা ব্লকে এরকম দেড় শতাধিক উপভোক্তার কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছেনা।

আমার বাড়ি প্রকল্পে টাকা নিয়ে বাড়ি না করে ডেবরায় দেড় শতাধিক উপভোক্তা বেপাত্তা
  • ২৬ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা,মেদিনীপুর: রাজ্য সরকারের বাংলার বাড়ি প্রকল্পে প্রথম পর্যায়ে টাকা নিয়ে বেপাত্তা উপভোক্তারা। ডেবরা ব্লকে এরকম দেড় শতাধিক উপভোক্তার কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছেনা। ফলে তাদের কাছ থেকে টাকাও ফেরত নেওয়া যাচ্ছে না। এদিকে নতুন করে দ্বিতীয় পর্যায়ে কারা বাড়ি পাবেন তার তালিকা অনুমোদন হয়ে চলে এসেছে। ডিসেম্বর মাসেই প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা করে উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে  চলে আসবে। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাওয়া যাবে আগামী বছর মে মাসে। এদিকে নিখোঁজ উপভোক্তাদের কাছ থেকে কী ভাবে টাকা আদায় করা হবে তার পথ খুঁজে পাচ্ছে না ব্লক প্রশাসন। রজ্যের কাছে পরামর্শ চাওয়া হয়েছে। 

Advertisement

ব্লক প্রশাসন  সূত্রে খবর প্রথম পর্যায়ে ডেবরা ব্লকে ৬০০৮ জন উপভোক্তা বাড়ি পায়। তাদের প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দিতে গিয়ে দেখা যায় অনেকেই বাড়ি তৈরির কাজ শুরুই করেনি। আবার কোনও কোনও উপভোক্তা অন্যখাতে টাকা ব্যয় করে দিয়েছে। সেই সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রায় ৫০০ জনকে শোকজ করা হয়। এতে কিছুটা কাজ হয়। যাঁরা টাকা নিয়ে বাড়ি তৈরি করেননি তাঁদের মধ্যে অনেকে বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করে। কিন্তু  টাকা নিয়েছেন অথচ বাড়ি তৈরি করেননি এরকম দেড় শতাধিক উপভোক্তার কোনও হদিশই পাওয়া যাচ্ছে না। এখন এটাই মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রশাসনের। তাঁদের প্রায় ৯ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। 
বিডিও প্রিয়ব্রত রাড়ি বলেন, এরকম ১৫৯ জন উপভোক্তার কোনও খোঁজই পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা সবরকম ভাবে চেষ্টা করেছি। নোটিশ করা হয়েছে। কিন্তু কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। জেলাকে আমরা তা জানিয়েছি। জেলা  বলেছে যাঁরা  টাকা নিয়ে বাড়ি করেননি তাঁদের কাছ থেকে টাকা ফেরত নিতে হবে। আমরা এব্যাপারে রাজ্যের পরামর্শ চেয়েছি। সেইমতো পদক্ষেপ করা হবে। তিনি বলেন, দ্বিতীয় পর্যায়ে ১০ হাজার ৩১২ জনের নামে বাড়ি তৈরির টাকার অনুমোদন এসেছে। এরা অপেক্ষার তালিকায় ছিলেন। এখন আমরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তদন্ত করে দেখছি তাঁরা আছেন কিনা। টাকা পাওয়ার পর বাড়ি করবেন, না করলে টাকা ফেরত নিয়ে নেওয়া হবে এরকম ঘোষণাপত্র তাঁদের কাছে লিখিয়ে নেওয়া হচ্ছে। যাতে গতবারের মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয় তার জন্য আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে দ্বিতীয় পর্যায়ে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ১ লক্ষ ৭২ হাজার বাড়ির অনুমোদন এসেছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ