Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান, এক হাজার কোটি টাকা ছাড়ল নবান্ন

সাধারণ মানুষের বাছাই করে দেওয়া কাজ হবে প্রতিটি বুথে। কোথাও নলকূপ বসানো বা মেরামত করা হবে। কোথাও রাস্তায় এলইডি লাইট লাগানো বা মেরামতি।

আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান,  এক হাজার কোটি টাকা ছাড়ল নবান্ন
  • ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সাধারণ মানুষের বাছাই করে দেওয়া কাজ হবে প্রতিটি বুথে। কোথাও নলকূপ বসানো বা মেরামত করা হবে। কোথাও রাস্তায় এলইডি লাইট লাগানো বা মেরামতি। এমনই নানারকম কাজ হবে এলাকায়। আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান কর্মসূচির মাধ্যমে উঠে আসা কাজের তালিকা তৈরি করছে রাজ্য। ২ আগষ্ট থেকে এই কর্মসূচি চালু হওয়ায়, ইতিমধ্যে অধিকাংশ বুথে কী কী কাজ হবে তা চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। দরপত্র ডাকার কাজও এগিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনকে। এই পরিস্থিতিতে এই প্রকল্প খাতে নিজস্ব কোষাগার থেকে এক হাজার কোটি টাকা ছাড়ল নবান্ন। সূত্রের খবর, এই প্রকল্প রূপায়ণের দায়িত্বে থাকা পরিকল্পনা ও পরিসংখ্যান দপ্তরকে এই টাকা দেওয়া হয়েছে। কোন জেলায় কত টাকার কাজ চূড়ান্ত হয়েছে, তা খতিয়ে দেখেই তৃণমূল স্তর পর্যন্ত টাকা পাঠানোর কাজ শুরু হবে বলেও জানা গিয়েছে। নতুন এই কর্মসূচিতে বুথ পিছু ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই হিসেবে মোট ৮ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। রাজ্যের আর্থিক অনটনের মধ্যে কীভাবে এত টাকা জোগান দেওয়া সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল বিভিন্ন মহল। তবে রাজ্য সরকার হিসেব কষেই প্রকল্প ঘোষণা করেছে বলে প্রশাসনের দাবি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘প্রাথমিকভাবে এক হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। ফের যেমন যেমন প্রয়োজন পড়বে, অর্থ বরাদ্দ করা হবে। ডিসেম্বরে না হলেও জানুয়ারির মধ্যে তালিকাভুক্ত হওয়া সমস্ত কাজ শেষ করা হবেই।’ জানা গিয়েছে, শুধু অর্থ বরাদ্দ করাই নয়। তার যাতে যথাযথ ব্যবহার হয় তারও ব্যবস্থা করছে নবান্ন। তালিকাভুক্ত কাজের টেকনিক্যাল ভেটিং বা প্রযুক্তিগত যাচাইয়ের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ইঞ্জিনিয়ারদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। পূর্ত এবং জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারদের এই কাজের জন্য বাছাই করা হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে। যে কোনও প্রকল্পের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক অনুমোদন (অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাপ্রুভাল) ছাড়াও টেকনিক্যাল ভেটিংও ভীষণভাবে আবশ্যিক। এই কাজ যাতে ভালো করে হয় সেই কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আগামী ৩ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে শিবির। এখনও পর্যন্ত ২১ হাজারের বেশি শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। যেখানে এসেছেন ১ কোটি ৫৯ লক্ষ মানুষ এসেছেন। সূত্রের খবর, অধিকাংশ জায়গায় রাস্তা মেরামতি, নিকাশি নালা সংস্কার, রাস্তায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র এবং স্কুল বাড়ি মেরামতির আবেদন জমা পড়েছে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ