নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: কম্বোপ্যাক কিংবা বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি। বাজার ধরে রাখতে এমন অফার দিচ্ছে বিভিন্ন কোম্পানি। নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী থেকে পোশাক সহ সর্বত্র অফারের ছড়াছড়ি। এবার ক্রেতা ধরতে এমন ফরমুলা চালু করেছে আন্ডার ওয়াল্ডের অস্ত্র কারবারিরা। তাদের ট্যাগ লাইন-‘লোহার’ সঙ্গে ‘দানা’ ফ্রি। আগ্নেয়াস্ত্রের কারবারে জড়িত বালুরঘাটের গ্যাংকে গ্রেপ্তারের পর এমন তথ্য পেয়েছে শিলিগুড়ি পুলিস। তাদের ধারণা, মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরের বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা থেকে নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে অস্ত্রের এই কারবার। যারা নয়া এই পন্থায় উত্তরবঙ্গ জুড়ে জাল বিস্তারের ছক কষেছে।
Advertisement
মাঝে কিছুদিন চুপচাপ থাকলেও ফের শিলিগুড়িতে নয়া ছকে সক্রিয় হয়ে উঠছে আগ্নেয়াস্ত্র কারবারিরা। ২৪ ঘণ্টা আগে আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত বালুরঘাট গ্যাংয়ের সদস্যদের জেরা করে গোয়েন্দারা চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য পেয়েছে। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, নাইন এমএম পিস্তল ৭০ থেকে ৭৫ হাজার টাকা দরে কিনছে অস্ত্র কারবারিরা। পিস্তলের সাঙ্কেতিক নাম ‘লোহা’। আর গুলির দর ৮০০ টাকা পিস। যার সাঙ্কেতিক নাম ‘দানা’। কারবারিরা লোহা ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা এবং দানা ১০০০ টাকা পিস হিসেবে বিক্রি করে। খদ্দের ধরতে তারাও ব্যবসায় চালু করেছে অফার। এক পিস লোহার সঙ্গে ১০ পিস দানা। এই কম্বোপ্যাকের দাম ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ এই দামে পাঁচ পিস দানা ফ্রি মিলছে।
পুলিস অফিসাররা বলেন, ওই কারবারিরা শুধু শিলিগুড়ি নয়, গোটা উত্তরবঙ্গ জুড়েই এই নয়া কৌশলে ব্যবসার জাল বিস্তারের টার্গেট নিয়েছে। অন্যান্য ব্যবসার মতো অস্ত্র কারবারিরা অফারে ব্যবসা শুরু করেছে। শিলিগুড়ির ডেপুটি পুলিস কমিশনার (পশ্চিম) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ওই ঘটনা নিয়ে তদন্ত চলছে। ধৃতদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করা হচ্ছে।
বুধবার বিকেলে বাগডোগরা বিমানবন্দরের কাছে বিহারমোড় থেকে বালুরঘাটের ওই গ্যাংকে পাকড়াও করে পুলিস। ধৃতদের কাছ থেকে দু’টি নাইন এমএম পিস্তল ও ৩০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। ধৃতদের মধ্যে পুলক রায় ও সৌমিত্র রায় বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী হিলির বাসিন্দা। আর প্রীতম সরকার পতিরামের বাসিন্দা। পুলিস সূত্রের খবর, ধৃতদের বয়স ৩০ থেকে ৪০ এর মধ্যে। তারা টোটো চালানোর আড়ালে আর্মসের কারবার করে। এরা মূলত ‘ক্যারিয়ার’। কমিশনের ভিত্তিতে অস্ত্রপাচার করা তাদের দায়িত্ব। এটা প্রথম ট্রিপ ছিল বলে ধৃতরা দাবি করলেও তা বিশ্বাস করছেন না গোয়েন্দারা। ধৃতদের সঙ্গে বালুরঘাট, মালদহ ও বিহারের অস্ত্র কারবারিদের নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে বলে গোয়েন্দাদের সন্দেহ। এজন্য মালদহ ও বালুরঘাটে হানা দিতে পারে পুলিস।
বৃহস্পতিবার ধৃতদের শিলিগুড়ি এসিজেএম আদালতে তোলা হয়। জামিনের আবেদন খারিজ করে ধৃতদের পাঁচ দিনের জন্য পুলিস হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
পুলিস অফিসাররা বলেন, ওই কারবারিরা শুধু শিলিগুড়ি নয়, গোটা উত্তরবঙ্গ জুড়েই এই নয়া কৌশলে ব্যবসার জাল বিস্তারের টার্গেট নিয়েছে। অন্যান্য ব্যবসার মতো অস্ত্র কারবারিরা অফারে ব্যবসা শুরু করেছে। শিলিগুড়ির ডেপুটি পুলিস কমিশনার (পশ্চিম) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ওই ঘটনা নিয়ে তদন্ত চলছে। ধৃতদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করা হচ্ছে।
বুধবার বিকেলে বাগডোগরা বিমানবন্দরের কাছে বিহারমোড় থেকে বালুরঘাটের ওই গ্যাংকে পাকড়াও করে পুলিস। ধৃতদের কাছ থেকে দু’টি নাইন এমএম পিস্তল ও ৩০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। ধৃতদের মধ্যে পুলক রায় ও সৌমিত্র রায় বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী হিলির বাসিন্দা। আর প্রীতম সরকার পতিরামের বাসিন্দা। পুলিস সূত্রের খবর, ধৃতদের বয়স ৩০ থেকে ৪০ এর মধ্যে। তারা টোটো চালানোর আড়ালে আর্মসের কারবার করে। এরা মূলত ‘ক্যারিয়ার’। কমিশনের ভিত্তিতে অস্ত্রপাচার করা তাদের দায়িত্ব। এটা প্রথম ট্রিপ ছিল বলে ধৃতরা দাবি করলেও তা বিশ্বাস করছেন না গোয়েন্দারা। ধৃতদের সঙ্গে বালুরঘাট, মালদহ ও বিহারের অস্ত্র কারবারিদের নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে বলে গোয়েন্দাদের সন্দেহ। এজন্য মালদহ ও বালুরঘাটে হানা দিতে পারে পুলিস।
বৃহস্পতিবার ধৃতদের শিলিগুড়ি এসিজেএম আদালতে তোলা হয়। জামিনের আবেদন খারিজ করে ধৃতদের পাঁচ দিনের জন্য পুলিস হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।



