Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের পথে বিরোধী দলের সাংসদরা

লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছে কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা।

স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের পথে বিরোধী দলের সাংসদরা
  • ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০২
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি, ৯ ফেব্রুয়ারি: বেনজির পদক্ষেপ নিতে চলেছে বিরোধী দলের সাংসদরা। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছে কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা। এমনটাই জানা গিয়েছে সূত্র মারফত। অভিযোগ, লোকসভার স্পিকার ক্ষমতাসীন দল বিজেপি ও বিরোধীদের মধ্যে মতপার্থক্য, গভীর অবিশ্বাস দেখান। তাই তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের আর্জি জানাবে বিরোধী দলের সাংসদরা। তবে এখনই নয়, বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয়ার্ধে সেই পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। কারণ আস্থা ভোটের ক্ষেত্রে ১৪ দিনের একটি নোটিস পিরিয়ড দিতে হয়। সেই সময় এখন নেই, কারণ আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রথমার্ধ শেষ হয়ে যাবে। দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হবে আগামী ৯ মার্চ থেকে চলবে ২ এপ্রিল পর্যন্ত। তখনই এই পদক্ষেপ করবে বিরোধী দলের সাংসদরা।

Advertisement

এমনটাই জানা যাচ্ছে। কিন্তু কেন এই পদক্ষেপ? সূত্রের খবর, প্রাক্তন সেনা প্রধান এমএম নারভানের একটি অপ্রকাশিত বইয়ের কিছু লেখা লোকসভায় পড়তে শুরু করেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। যাতে তীব্র আপত্তি জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সহ একাধিক বিজেপি সাংসদরা। এমনকি রাহুল গান্ধীকে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা স্পষ্ট বলে দেন, কোনও বই, ম্যাগাজিন, খবরের কাগজের আর্টিকেল সংসদের ভিতরে পড়া যাবে না। যাকে কেন্দ্র করে তুমুল হট্টগোল শুরু হয়। অভিযোগ, রাহুলকে বই পড়তে বারণ করলেও, বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে কিছুদিন আগেই সংসদে একটি বই পড়েন। তখন স্পিকারের আসনে থাকা চেয়ারম্যানের কথাও অবজ্ঞা করেন বিজেপি সাংসদ। এই দ্বিচারিতার জন্যই লোকসভার স্পিকারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে চলেছে বিরোধীরা। সঙ্গে রয়েছে আরও দুটি বিষয়।

কংগ্রেস সহ আট বিরোধী দলের সাংসদদের গোটা অধিবেশনে সাসপেন্ড ও সংসদের মহিলা সদস্যদের নিয়ে মিথ্যা অভিযোগ। রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর লোকসভায় বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। কিন্তু সেইদিন স্পিকার ওম বিড়লা অভিযোগ করেন, তাঁর কাছে খবর রয়েছে, বিরোধী দলের সাংসদরা প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করবে, কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাবে। তাই তিনি লোকসভায় মোদিকে না আসার পরামর্শ দেন। যা বিরোধীরা খারিজ করে দেন। এই বিষয়গুলিকে সামনে রেখেই স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের পথে হাঁটছেন বিরোধীরা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ