Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

বিহারের ভোটার তালিকা শুদ্ধিকরণ নিয়ে এবার পথে নামছে বিরোধী শিবির

ভোটার তালিকা শুদ্ধিকরণের নামে বিহারে ‘স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন’ ইস্যুর প্রতিবাদে একজোট হয়ে রাস্তায় নামছে ‘ইন্ডিয়া।

বিহারের ভোটার তালিকা শুদ্ধিকরণ নিয়ে এবার পথে নামছে বিরোধী শিবির
  • ৫ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ভোটার তালিকা শুদ্ধিকরণের নামে বিহারে ‘স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন’ ইস্যুর প্রতিবাদে একজোট হয়ে রাস্তায় নামছে ‘ইন্ডিয়া।’ দলের নির্দেশে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র তো শুক্রবার কমিশনকে তোপ দেগেছেন। বলেছেন, সরকারের মেরুদণ্ডহীন পুতুলে পরিণত হয়েছে নির্বাচন কমিশন। গণতন্ত্র রক্ষা করাই ছিল কমিশনের কাজ। কিন্তু এখন তারা সরকারের বন্ধু হয়ে গিয়েছে। হেনস্তার শিকার হওয়া গরিব মানুষই এর জবাব দেবে। উপড়ে ফেলবে সরকারকে। অপেক্ষা করুন। 

Advertisement

বিহার ইস্যুতে কমিশনের বিরুদ্ধে আগামী ২৫ জুলাইয়ের আগেই ইন্ডিয়া জোট যৌথভাবে পথে নামছে বলেই জানা গিয়েছে। শ্রম আইন এবং শ্রম কোডের বিরুদ্ধে আগামী ৯ জুলাই গোটা দেশে ধর্মঘট ডেকেছে শ্রম সংগঠনগুলি। তাই ওইদিনটি যৌথ প্রতিবাদের জন্য প্রথমে ভাবা হলেও তা পরিবর্তন হতে পারে। বিহারে ভোটার তালিকা শুদ্ধিকরণ ইস্যুতে কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ারও পক্ষে কংগ্রেসের একাংশ। 
বিরোধীদের দাবি, ১৯৮৭ সালের পর যারা জন্মেছেন, তারা ভোটার তালিকায় নাম তুলতে গেলে কেন বাবা-মার আধার কার্ড গ্রাহ্য হবে না? কেন দিতে হবে জন্ম তারিখের শংসাপত্র? যদিও শুক্রবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, ‘বিহারে অত্যন্ত মসৃণভাবে স্বচ্ছতার সঙ্গে স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশনের কাজ চলছে। রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরাও সহযোগিতা করছেন। এর উদ্দেশ্যই হল যোগ্য ভোটারদের নাম অন্তর্ভূক্ত করা। বাদ দেওয়া নয়। অহেতুক আশঙ্কার কিছু নেই।’ 
কমিশন জানিয়েছে, বিহারে ৭ কোটি ৯০ লক্ষ ভোটারের মধ্যে ইতিম঩ধ্যেই ৮৭ শতাংশ ইনিউমারেশন ফর্ম (সহজ কথায় ভোটার শুদ্ধিকরণ ফর্ম) ফিলাপ করেছে। কমিশনের পক্ষে বুথ লেভেল অফিসাররা দেড় কোটি বাড়িতে গিয়েছে। রাজনৈতিক দলের ১ লক্ষ ৫৪ হাজার ৯৭৭ বুথ লেভেল এজেন্ট (বিএলএ) সক্রিয় সহযোগিতা করছেন। ২৫ জুলাই পর্যন্ত ইনিউমারেশন ফর্ম ফিলাপ পর্ব শেষে ভেরিফিকেশনের পর ২ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে। তারপরও কোনও অভিযোগ থাকলে বলতে পারবেন। ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশ হবে ফাইনাল ভোটার তালিকা। তারপরও যদি কারও কিছু বলার থাকে, জেলাশাসক এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে আবেদন করা যাবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ