সংবাদদাতা, বালুরঘাট: বোরো ধান চাষে সেচ করতে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার যত্রতত্র বসানো হচ্ছে সাব মার্সিবল। সাবমার্সিবলের যথেচ্ছ ব্যবহারে জলস্তর নীচে নেমে যাওয়ায় প্রচুর আয়রন বেরচ্ছে। স্বাভাবিকভাবে সেই জল পানের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। অভিযোগ, কৃষিকাজ, জলের ব্যবসা সহ বাড়ি বাড়ি জলের জন্য দেদার সাবমার্সিবল বসানো হচ্ছে। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে অবাধে সাবমার্সিবল বসানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
Advertisement
জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের আধিকারিক শুভব্রত কর বলেন, অনুমতি না নিয়ে সাবমার্সিবল বসানো যায় না। বিষয়টি খতিয়ে দেখে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষিপ্রধান দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় আগে পাম্প সেটের মাধ্যমে জলসেচ করা হতো। কয়েক বছর ধরে পাম্প সেটের বদলে সাব মার্সিবলের ব্যবহার বেড়েছে। এখন জমিতে সাবমার্সিবলের মাধ্যমে জল সেচ করা হয়। কিছু ব্যবসায়ী সাবমার্সিবল বসিয়ে আবাদি জমিতে জলসেচ করে কৃষকদের কাছে টাকা নেন। বোরো ধানে প্রচুর জল লাগে। তাই জেলাজুড়ে সাব মার্সিবলও দেদার বসছে।
তপন ব্লকে কৃষকরা বর্ষায় ধান চাষ করে থাকত। এখন সেখানেও সাব মার্সিবল বসানোর কারণে কৃষকরা বছরে দু’বার ধান চাষ করছেন। অভিযোগ, জাতীয় সড়কে ধারে একাধিক বাড়িতে সাবমার্সিবল বসিয়ে সেই জল মাছের গাড়িতে দেওয়া হচ্ছে। বালুরঘাট শহরে আবাসনগুলিতেও একইভাবে সাবমার্সিবল বসানো হয়েছে।
ভূগর্ভস্থ জল দিনরাত তোলার কারণে জেলার অধিকাংশ ব্লকে পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। হিলি, বালুরঘাট, বংশীহারি, গঙ্গারামপুর, তপন, কুমারগঞ্জের একাধিক এলাকায় এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। জেলায় আগে ৩০ ফুট গভীরে নলকূপ বসালেই পরিষ্কার জল পাওয়া যেত। এখন ৬০-৯০ ফুট গভীরে নলকূপ বসালেও পানের যোগ্য জল পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি যথেষ্ট চিন্তার বলে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের আধিকারিক শুভব্রতবাবু জানিয়েছেন। বেশিরভাগ নলকূপ থেকে আয়রনযুক্ত জল বেরচ্ছে।
তপন ব্লকে কৃষকরা বর্ষায় ধান চাষ করে থাকত। এখন সেখানেও সাব মার্সিবল বসানোর কারণে কৃষকরা বছরে দু’বার ধান চাষ করছেন। অভিযোগ, জাতীয় সড়কে ধারে একাধিক বাড়িতে সাবমার্সিবল বসিয়ে সেই জল মাছের গাড়িতে দেওয়া হচ্ছে। বালুরঘাট শহরে আবাসনগুলিতেও একইভাবে সাবমার্সিবল বসানো হয়েছে।
ভূগর্ভস্থ জল দিনরাত তোলার কারণে জেলার অধিকাংশ ব্লকে পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। হিলি, বালুরঘাট, বংশীহারি, গঙ্গারামপুর, তপন, কুমারগঞ্জের একাধিক এলাকায় এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। জেলায় আগে ৩০ ফুট গভীরে নলকূপ বসালেই পরিষ্কার জল পাওয়া যেত। এখন ৬০-৯০ ফুট গভীরে নলকূপ বসালেও পানের যোগ্য জল পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি যথেষ্ট চিন্তার বলে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের আধিকারিক শুভব্রতবাবু জানিয়েছেন। বেশিরভাগ নলকূপ থেকে আয়রনযুক্ত জল বেরচ্ছে।



