Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জলপাইগুড়িতে নিলামে বিক্রি মাত্র ২৭ শতাংশ চা! উদ্বেগ

২৯ নম্বর সেলে একেবারে মুখ থুবড়ে পড়ল জলপাইগুড়ি টি অকশন সেন্টারের নিলাম। মাত্র ২৭ শতাংশে নেমে এল অকশন।

জলপাইগুড়িতে নিলামে বিক্রি মাত্র ২৭ শতাংশ চা! উদ্বেগ
  • ২৩ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: ২৯ নম্বর সেলে একেবারে মুখ থুবড়ে পড়ল জলপাইগুড়ি টি অকশন সেন্টারের নিলাম। মাত্র ২৭ শতাংশে নেমে এল অকশন। ৫৬ হাজার ৯২৯ কেজি চা নিলামের জন্য অফার করা হয়। সেখানে বিক্রি হয়েছে মাত্র ১৬ হাজার ২৭৯ কেজি। প্রথম তিনটি নিলামে যেখানে পঞ্চাশের বেশি ক্রেতা জলপাইগুড়ি টি অকশন সেন্টারের নিলামে অংশ নিচ্ছিলেন, সেখানে এবার মাত্র ৩৯ জন। 

Advertisement

সোমবারের নিলামে বিক্রি হওয়া চায়ের সর্বোচ্চ দাম মিলেছে ১৯৩ টাকা কেজি। গড় দাম কেজি প্রতি ১১৬ টাকা। চা বিক্রির পাশাপাশি ক্রেতার সংখ্যা কমায় কিছুটা হলেও উদ্বেগে নর্থবেঙ্গল টি অকশন কমিটি। ওই কমিটির সম্পাদক প্রতাপ রাউত বলেন, এটা ঠিক গত সোমবার যে অকশন হয়েছে, সেখানে চা বিক্রির পরিমাণ অনেকটা কমে গিয়েছে। তবে, আমরা এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠব। 
জলপাইগুড়ি টি অকশন সেন্টার থেকে যাতে বেশি চা নিলাম হয়, সেকারণে পেমেন্টের উপর ছাড় চালু করা হয়েছে। এতেই দেখা দিয়েছে বিপত্তি। ক্রেতাদের অভিযোগ, সেন্টারে নিলামে অংশ নিয়ে চা কেনার পর দ্রুত পেমেন্ট করলেও বিল অর্থাৎ ইনভয়েস পেতে তিন-চারদিন সময় লেগে যাচ্ছে। এদিকে, বিল হাতে না পেলে চা নিতে পারছেন না তাঁরা। ফলে ক্রেতারা আগ্রহ হারাচ্ছেন।
টি বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, যেহেতু জলপাইগুড়ি সেন্টারে নিলামে অংশ নেওয়া ক্রেতাদের কারা ক্যাশ ডিসকাউন্টের সুবিধা নেবেন, কারা নেবেন না, সেটা আগে থেকে তাঁদের জানা না থাকায় সময় লাগছে। এক্ষেত্রে অকশন কমিটির তরফে টি বোর্ডের কাছে প্রস্তাব রাখা হয়েছে, নিলামে অংশ নেওয়ার সময়ই যদি ক্রেতা জানিয়ে দেন, তিনি সেই সুবিধা নেবেন কি না, তাহলে ইনভয়েস তৈরির কাজ দ্রুত হতে পারে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ