Bartaman Logo
২৮ মে, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

বিগত ১১ বছরে সর্বোচ্চ, পাকিস্তানে চরম দারিদ্রের শিকার এক-তৃতীয়াংশই

পাকিস্তানের ভাঁড়ে মা ভবানী দশার কথা নতুন কিছু নয়। আর্থিক ক্ষেত্রে প্রতিটি মাপকাঠিতেই কার্যত বেহাল দশা। প্রকৃত উন্নয়নের অভাবে বেরোজগারি ও মূল্যবৃদ্ধিতে ধুঁকছে সেদেশের আম আদমি।

বিগত ১১ বছরে সর্বোচ্চ,  পাকিস্তানে চরম দারিদ্রের শিকার এক-তৃতীয়াংশই
  • ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০

ইসলামাবাদ: পাকিস্তানের ভাঁড়ে মা ভবানী দশার কথা নতুন কিছু নয়। আর্থিক ক্ষেত্রে প্রতিটি মাপকাঠিতেই কার্যত বেহাল দশা। প্রকৃত উন্নয়নের অভাবে বেরোজগারি ও মূল্যবৃদ্ধিতে ধুঁকছে সেদেশের আম আদমি। সম্প্রতি প্রকাশিত দারিদ্র সূচকে তারই প্রতিফলন দেখা গেল। পাকিস্তানে দারিদ্র সূচক পৌঁছল ২৯ শতাংশে। গত ১১ বছরে এই হার সর্বোচ্চ। অর্থাৎ দেশের এক তৃতীয়াংশ মানুষই দারিদ্র সীমার নীচে রয়ে গিয়েছে। সেইসঙ্গে বেড়েই চলেছে আয়ের বৈষম্য। যা গত ২৭ বছরের রেকর্ড ছুঁয়েছে। শুক্রবার পাকিস্তানের পরিকল্পনা মন্ত্রকের আর্থিক সমীক্ষায় এমনই বেহাল চিত্র বেআব্রু হয়েছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, অন্তত ৭ কোটি পাকিস্তানি চরম দারিদ্রসীমার নীচে বসবাস করছে। যাদের মাসিক 

Advertisement

আয় পাকিস্তানি মুদ্রায় ৮ হাজার ৪৮৪ টাকার কম। 
২০১৪ সালে পাকিস্তানের দারিদ্র সূচক ছিল ২৯.৫ শতাংশ। শাহবাজ শরিফ ক্ষমতায় আসার প্রথম বছরেই প্রায় এক দশক আগের জায়গায় পৌঁছে পাকিস্তানের দারিদ্র সূচক। ২০২৪-২৫ সালে পাকিস্তানের দারিদ্র সূচক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮.৯ শতাংশ। লাফিয়ে বেড়েছে সেদেশের বেকারত্বও। গত ১ বছরে সেদেশে বেকারত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে ৭.১ শতাংশ। আইএমএফ থেকে ঋণ নেওয়ার কারণে ভতুর্কি বন্ধ করতে হয়েছে। মুদ্রার দামও তলানিতে।  সেইসঙ্গে মূল্যবৃদ্ধির আঘাতেই জনসংখ্যার একটা বড় অংশের দৈন্যদশা চরমে পৌঁছেছে বলে স্বীকার করে নিয়েছেন সেদেশের পরিকল্পনামন্ত্রী এহসান ইকবাল। তিনি আরও বলেছেন, একের পর এক প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও আর্থিক বৃদ্ধির গতি থমকে যাওয়াতেই এই পরিস্থিতি। এই সমীক্ষার রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তানের গ্রামগুলিতে দারিদ্রের সূচক ২৮.২ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৬.২ শতাংশে পৌঁছেছে। শহরাঞ্চলে ১১ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৭.৪ শতাংশ। 

সম্পর্কিত সংবাদ