সংবাদদাতা, কান্দি: ভরতপুরে নকল সোনার গয়না জমা রেখে ৩০হাজার টাকা হাতানোর অভিযোগে এক যুবককে পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। ধৃত সাজ্জাদ শেখ সালার থানার পূর্বগ্রামের বাসিন্দা। মায়ের চিকিৎসার দোহাই দিয়ে ওই ‘সোনা’ জমা রেখে সোনার দোকান থেকে টাকা নিয়েছিল সে। মঙ্গলবার ধৃতকে কান্দি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।
পুলিস জানিয়েছে, ভরতপুর পোস্ট অফিস লাগোয়া একটি সোনার দোকানে এই ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দুপুরে সাজ্জাদ ওই সোনার দোকানে আসে। সে দোকানদারের কাছে দাবি করে, তার মায়ের চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে ৩০হাজার টাকা প্রয়োজন। স্বর্ণ ব্যবসায়ী মহম্মদ শুভ হলমার্কযুক্ত গয়না দেখে যুবকের দাবিমতো তাড়াতাড়ি ৩০হাজার টাকা দিয়েও দেন। কিন্তু পরে ওই ব্যবসায়ী বুঝতে পারেন, সাজ্জাদের জমা রাখা সোনা নকল। সোমবার রাতেই সাজ্জাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানানো হয়।
ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ী বলেন, একটি কানের দুল, একটি কপালের টিকলি ও একটি নাকের নথ জমা রেখে ৩০হাজার টাকা নিয়েছিল। প্রতিটিতেই হলমার্ক দেওয়া ছিল। তাই কিছু না ভেবেই টাকা দিয়ে দিই। কিন্তু পরীক্ষা করার পর বুঝতে পারি, ওই সোনা নকল। এরপরই পুলিসের দ্বারস্থ হই।
ভরতপুর থানার পুলিস জানিয়েছে, ওই যুবক প্রতারণা করে দোকান থেকে টাকা নিয়ে পালিয়ে ছিল। এদিন ভোরে ভরতপুর ও সালার থানা এলাকার সীমানায় একটি রাস্তা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নওদায় জলের প্ল্যান্টে হানা পুলিসের: অবৈধভাবে জল পরিস্রুত করে বিক্রি করা হচ্ছিল। খবর পেয়ে জলের প্ল্যান্টে হানা দিল ডিস্ট্রিক্ট এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ, খাদ্যসুরক্ষা দপ্তর ও পুলিস। মঙ্গলবার দুপুরে নওদার শব্দনগর এলাকায় এই অভিযান চলে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, নিয়ম বহির্ভূতভাবে দীর্ঘদিন ধরে ওয়াটার রিফিলিং প্ল্যান্ট চালানো হচ্ছিল সেখানে। জারে ভরে সেই জল বিক্রি করা হতো। কিন্তু কোনও নিয়মকানুন মানা হচ্ছিল না বলেই অভিযোগ। অভিযানে পুলিস একটি ওয়াটার ট্যাঙ্ক, পাম্প ও একটি চারচাকা পণ্যবাহী গাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছে।