নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: রাজ্যজুড়ে জোরকদমে শুরু হয়েছে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার কাজ। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অন্দরেও তৎপরতা তুঙ্গে। প্রথম দিনই পশ্চিম মেদিনীপুরে বিএলওরা সওয়া এক লক্ষ ভোটারের কাছে ইনিউমারেশন ফর্ম বিলি করেছেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: রাজ্যজুড়ে জোরকদমে শুরু হয়েছে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার কাজ। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অন্দরেও তৎপরতা তুঙ্গে। প্রথম দিনই পশ্চিম মেদিনীপুরে বিএলওরা সওয়া এক লক্ষ ভোটারের কাছে ইনিউমারেশন ফর্ম বিলি করেছেন।
জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবকটি বুথে বিএলএ নিয়োগ করছে তৃণমূল। কোনও এলাকার মানুষ আতঙ্কিত হলেই ছুটে যাচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। একইসঙ্গে ইনিউমারেশন ফর্ম বিলি শুরু হয়েছে। অপরদিকে, মঙ্গলবার থেকেই ময়দানে নামল জেলার বিএলও-রা (বুথ লেভেল অফিসার)। তাঁরা বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ফর্ম বিলি করেছেন। প্রথম দিনই জেলায় ১ লাখ ১৫ হাজার ৪৫৬ জন ভোটারের কাছে ফর্ম দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের এক আধিকারিকের কথায়, জেলায় ৪ হাজার ৩৩৩ জন বিএলও রয়েছেন। একইসঙ্গে ভোটারের সংখ্যা ৪০ লক্ষ ১৫ হাজার ৮৯৭ জন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ২০ লক্ষ ২৪ হাজার ২০৩ জন ও মহিলা ভোটার ১৯ লক্ষ ৯১ হাজার ৬৪৪ জন।
এদিন বিকেলে জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, কোনও মানুষের যাতে সমস্যা না হয় সেদিকে নজর দেওয়া হয়েছে। বিএলওরা বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম দিচ্ছেন। প্রথম দিন গোটা প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এসআইআর-এর কাজে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে তৎপরতা তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব তাঁদের বুথ লেভেল এজেন্টদের ময়দানে নামিয়েছে। পাশাপাশি পুরসভা এলাকার জন্য টাউন ইলেক্টোরাল সুপারভাইজার ও ব্লক এলাকার জন্য ব্লক ইলেক্টোরাল সুপারভাইজার রাখছে তৃণমূল। এই ব্লক ইলেক্টোরাল সুপারভাইজারের নীচে পঞ্চায়েত ইলেক্টোরাল সুপার ভাইজারও থাকবেন। অপরদিকে, টাউন ইলেক্টোরাল সুপার ভাইজারের নীচে থাকছেন ওয়ার্ড ইলেক্টোরাল সুপারভাইজার। এক তৃণমূল নেতার কথায়, এসআইআর নিয়ে প্রতিটি বিধানসভায় ১৫ জনের বিশেষ দল থাকবে। প্রতিটি পঞ্চায়েত এলাকায় ১০ জনের দল রাখা হচ্ছে। কর্পোরেট ধাঁচে দল সাজানো হয়েছে। অপরদিকে, বিজেপি নেতারাও বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে মানুষের সমস্যা তুলে ধরছেন। এদিন মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, বিজেপি মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে। জোর করে সিএএ ফর্ম ফিলাপ করানোর চেষ্টা করছে। বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে মানুষকে বলছি, বিজেপির ফাঁদে পা দেবেন না। অপরদিকে, জেলা বিজেপির সহ সভাপতি শঙ্কর গুছাইত বলেন, তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরা আইনবিরুদ্ধ কাজ করছেন। উনি মানুষকে এলাকায় গিয়ে ভুল বোঝাচ্ছেন।