নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: ওন্দায় পুরনো বিবাদের জেরে খুড়তুতো দাদুকে কুপিয়ে খুনের দায়ে দুই নাতির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। বছর ছয়েক আগে ঘটা ওই খুনের ঘটনার বিচার শেষে শুক্রবার সাজা ঘোষণা হয়। এদিন বাঁকুড়ার জেলা ও দায়রা বিচারক মনোজ্যোতি ভট্টাচার্য ওই সাজা শুনিয়েছেন। যাবজ্জীবনের পাশাপাশি বিচারক দুই ভাইকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও তা অনাদায়ে ছ’মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন। সাজাপ্রাপ্তদের নাম রঘুনাথ মণ্ডল ও সোমনাথ মণ্ডল। তাদের বাবা গোপাল মণ্ডলও ওই ঘটনায় জড়িত ছিল বলে মৃতের পরিবারের অভিযোগ ছিল। তবে বিচারবিভাগীয় হেফজতে থাকাকালীন বাঁকুড়া সংশোধনাগারে তার মৃত্যু হয়।
Advertisement
মামলার সরকারি আইনজীবী অরুণকুমার চট্টোপাধ্যায় বলেন, ২০১৮ সালের ২ জুলাই ওন্দা থানার চূড়ামণিপুর গ্রামে খুনের ঘটনাটি ঘটে। ওইদিন সকালে গ্রামের বাসিন্দা রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল জমিতে লাঙল দেওয়ার কাজে যুক্ত মজুরদের জন্য খাবার নিয়ে যাচ্ছিলেন। মাঠেরই কচু খেতে দুই ছেলের সঙ্গে গোপাল ওত পেতে বসেছিল। রবীন্দ্রনাথবাবু কাছে যেতেই কোদাল, কাটারি, রড নিয়ে তিনজন তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এলোপাথাড়ি কোদাল ও কাটারির কোপে ওই বৃদ্ধ গুরুতর জখম হন। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ওন্দা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সরকারি আইনজীবী বলেন, গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে রবীন্দ্রনাথবাবু ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে সাজাপ্রাপ্তদের গণ্ডগোল হয়। তখন থেকেই খুনের ছক কষা শুরু হয়। সাজাপ্রাপ্তরা গ্রামে ডাকাবুকো বলে পরিচিত। অন্যান্য গ্রামবাসীদের সঙ্গেও তাদের একাধিকবার মারপিট হয়েছে। প্রভাবশালী হওয়ায় সবক্ষেত্রেই তারা পার পেয়ে গিয়েছিল। রবীন্দ্রনাথবাবু সম্পর্কে গোপালের কাকা। সেই সূত্রে রঘুনাথ ও সোমনাথ মৃতের নাতি। ঘটনার পর মৃতের স্ত্রী করুণাময়ী মণ্ডল ওন্দা থানায় তিন বাপ-বেটার বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করেন। মামলায় মোট ২৩ জন সাক্ষ্য দেন। এদিনও আদালত চত্বরে চূড়ামণিপুর গ্রামের অনেকে ভিড় জমান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই গ্রামবাসী বলেন, তিন বাপ-বেটার অত্যাচারে আমরা দীর্ঘদিন ধরে ভয়ে ভয়ে থাকতাম। তারা হাজতে ঢুকতেই গ্রামে শান্তি নেমে আসে। দুই ভাই কোনওকারণে খালাস হয়ে গেলে গ্রামে সাক্ষীদের টেকা দায় হতো। রবীন্দ্রনাথবাবু নিজের প্রাণ দিয়ে গ্রামে চিরদিনের জন্য শান্তি এনে দিলেন।
সরকারি আইনজীবী বলেন, গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে রবীন্দ্রনাথবাবু ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে সাজাপ্রাপ্তদের গণ্ডগোল হয়। তখন থেকেই খুনের ছক কষা শুরু হয়। সাজাপ্রাপ্তরা গ্রামে ডাকাবুকো বলে পরিচিত। অন্যান্য গ্রামবাসীদের সঙ্গেও তাদের একাধিকবার মারপিট হয়েছে। প্রভাবশালী হওয়ায় সবক্ষেত্রেই তারা পার পেয়ে গিয়েছিল। রবীন্দ্রনাথবাবু সম্পর্কে গোপালের কাকা। সেই সূত্রে রঘুনাথ ও সোমনাথ মৃতের নাতি। ঘটনার পর মৃতের স্ত্রী করুণাময়ী মণ্ডল ওন্দা থানায় তিন বাপ-বেটার বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করেন। মামলায় মোট ২৩ জন সাক্ষ্য দেন। এদিনও আদালত চত্বরে চূড়ামণিপুর গ্রামের অনেকে ভিড় জমান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই গ্রামবাসী বলেন, তিন বাপ-বেটার অত্যাচারে আমরা দীর্ঘদিন ধরে ভয়ে ভয়ে থাকতাম। তারা হাজতে ঢুকতেই গ্রামে শান্তি নেমে আসে। দুই ভাই কোনওকারণে খালাস হয়ে গেলে গ্রামে সাক্ষীদের টেকা দায় হতো। রবীন্দ্রনাথবাবু নিজের প্রাণ দিয়ে গ্রামে চিরদিনের জন্য শান্তি এনে দিলেন।



