Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নতুন বসাতে গিয়ে ভেঙে যাচ্ছে পুরনো পাইপ, জল নিয়ে বাড়ছে হয়রানি

আর এই কাজ করতে গিয়ে অনেক জায়গায় জল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। সমস্যায় পড়ছেন পুরবাসী।

নতুন বসাতে গিয়ে ভেঙে যাচ্ছে পুরনো পাইপ, জল নিয়ে বাড়ছে হয়রানি
  • ৩ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: মিউনিসিপ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিরেক্টরেট (এমইডি) দিনহাটায় জল সরবরাহের জন্য নতুন করে পাইপ লাইন বসানোর কাজ শুরু করেছে। আর এই কাজ করতে গিয়ে অনেক জায়গায় জল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। সমস্যায় পড়ছেন পুরবাসী। 

Advertisement

শহরে জল সরবরাহ করে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর। শহরের বাসিন্দাদের জলের সমস্যার কথা সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানিয়ে সুরাহা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে বুধবার দিনহাটা পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সাবির সাহা চৌধুরীর নেতৃত্ব একদল কাউন্সিলার কোচবিহারে পিএইচই’র এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে দেখা করে সমস্যার কথা জানান। দুই দপ্তরের সমন্বয়ের অভাবের অভিযোগ তোলেন সাবির। এই পরিপ্রেক্ষিতে ঠিক হয়েছে, আগামী সপ্তাহে দুই দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে দিনহাটা পুরসভায় বৈঠক হবে। সেখানেই এই সমস্যা সমাধনের সূত্র বের করার চেষ্টা করা হবে। 
দিনহাটা পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, শহরে এমইডি জলের পাইপ লাইন বসাতে গিয়ে পুরনো পাইপ ভেঙে ফেলছে। সেসব পিএইচই’কে ঠিক করতে বলা হচ্ছে। কিন্তু তা হচ্ছে না। তাই আমরা সকলে মিলে এদিন জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরে এসেছিলাম। দুই দপ্তরকে একসঙ্গে দিনহাটা পুরসভায় আসার অনুরোধ করেছি। দুই দপ্তরের সমন্বয়ের অভাবের জন্যই পুর নাগরিকদের জল সরবরাহে সমস্যা হচ্ছে। আগামী মঙ্গলবার এই বৈঠক হবে। 
পিএইচই’র এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত ধর বলেন, আগামী মঙ্গলবার বৈঠক হওয়ার কথা। আশা করি, সেখানে একটা সমাধান সূত্র বের হবে। 
দিনহাটা পুরসভায় মাসচারেক আগে নতুন পাইপ লাইন বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। তারপর থেকেই এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। যা ক্রমশ বাড়ছে। ২ নম্বর ওয়ার্ডের জলখাওয়া কলোনি, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট শীতলাবাড়ি, মণ্ডলপাড়া, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বোর্ডিংপাড়ার একাংশ এলাকা সহ বিভিন্ন জায়গায় এই সমস্যা ক্রমাগত বাড়ছে বলে অভিযোগ। শহরে বর্তমানে প্রায় পাঁচ হাজার বাসিন্দার বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছয়। অভিযোগ, তার মধ্যে অর্ধেক বাড়িতে এখন জল পৌঁছনোর ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এতে এলাকায় এলাকায় ক্ষোভ বাড়ছে। এবার দুই দপ্তরকে নিয়ে আলোচনা করে সমাধানসূত্র বের করার চেষ্টা শুরু করেছে পুরসভা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ