Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গাঙ্গেয় ডলফিন মেরে তেল পাচার, মোথাবাড়িতে ধৃত ২

গাঙ্গেয় শুশুক বা ডলফিন শিকারের পর তেল বের করে বিক্রির জন্য মজুত করার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেপ্তার করল মালদহ বনদপ্তর।

গাঙ্গেয় ডলফিন মেরে তেল পাচার, মোথাবাড়িতে ধৃত ২
  • ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: গাঙ্গেয় শুশুক বা ডলফিন শিকারের পর তেল বের করে বিক্রির জন্য মজুত করার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেপ্তার করল মালদহ বনদপ্তর। মালদহ জেলার মোথাবাড়ি থানার পঞ্চানন্দপুরের সকুল্লাপুর এলাকা তাদের ধরেছেন কালিয়াচক এবং মালদহের বনদপ্তরের আধিকারিকরা। বনদপ্তর জানিয়েছে, ধৃতদের নাম ক্ষুদিরাম মণ্ডল ও সুজিত চৌধুরী। তাদের বাড়ি ওই এলাকাতেই। 

Advertisement

বনদপ্তর জানিয়েছে, বুধবার বনদপ্তরের আধিকারিকেরা পৌঁছন সকুল্লাপুর। সেখানে একটি বাড়ি থেকে প্রায় তিন জার বিলুপ্তপ্রায় ডলফিনের তেল উদ্ধার করা হয়। এই তেল মাছ ধরার চার হিসেবে ব্যবহার হয়। এছাড়া ব্যথা উপশমের জন্যও অনেকে ব্যবহার করে থাকেন। যদিও সেটা কতটা বিজ্ঞানসম্মত, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ধৃতদের এদিন গ্রেপ্তার করে  কানিমোড়ে ফরেস্টের রেঞ্জ অফিসে নিয়ে আসা হয়। গাঙ্গেয় শুশুক বা ডলফিন কোথা থেকে তারা শিকার করেছিল, তদন্ত শুরু করেছেন বনদপ্তরের আধিকারিকেরা। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। যদিও ধৃতরা বনদপ্তরের আধিকারিকদের বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করেছিল। তাদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
কালিয়াচকের রেঞ্জার সরস্বতী বিশ্বাস বলেন, আমরা জানতে পারি, গাঙ্গেয় শুশুক মেরে তেল বের করে ব্যবহার এবং পাচারের জন্য রাখা হয়েছিল। সেই মোতাবেক অভিযান চালিয়ে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছি। 
সম্প্রতি, সমীক্ষায় দেখা গিয়েছিল মালদহে গঙ্গায় শুশুকের সংখ্যা বেড়েছে। সেগুলিকে মারার পর তেল বের করে পাচারের জন্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কালোবাজারে পাঠানো হচ্ছে কি না, তদন্ত শুরু হয়েছে। এভাবে শুশুক শিকার করা হলে অস্তিত্ব সংকট হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ