Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

গুহায় মজুত তেলের ভাণ্ডার, মেটানো যাবে ১০ দিনের চাহিদা

পশ্চিম এশিয়ার রাজনীতি টালমাটাল হলেই কপালে চিন্তার ভাঁজ চওড়া হয় দিল্লির। ভারতের জ্বালানির অধিকাংশটাই আসে ইরান, ইরাক, সৌদি আরবের মতো দেশ থেকে।

গুহায় মজুত তেলের ভাণ্ডার, মেটানো যাবে ১০ দিনের চাহিদা
  • ২৫ জুন, ২০২৫ ১৫:০৬
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ার রাজনীতি টালমাটাল হলেই কপালে চিন্তার ভাঁজ চওড়া হয় দিল্লির। ভারতের জ্বালানির অধিকাংশটাই আসে ইরান, ইরাক, সৌদি আরবের মতো দেশ থেকে। তবে ধীরে ধীরে তেল সঞ্চয়ের পরিকাঠামো তৈরি করেছে ভারত। ব্যাক আপ হিসেবে ভূগর্ভে সঞ্চিত রয়েছে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই জ্বালানি দিয়ে ১০ দিনের চাহিদা মেটানোর ক্ষমতা রাখে দেশ। স্ট্র্যাটেজিক পেট্রলিয়াম রিজার্ভ-এর (এসপিআর) অংশ হিসেবে অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক এবং তামিলনাড়ুর গুহায় সঞ্চিত রাখা হয়েছে কয়েক কোটি টন অপরিশোধিত তেল। ওড়িশা এবং কর্ণাটকে আরও দু’টি তৈলভাণ্ডার তৈরি করা হচ্ছে। এগুলি তৈরির কাজ শেষ হলে দেশের ২২ দিনের জ্বালানি তেলের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। উপসাগরীয় যুদ্ধের জেরে দেশে জ্বালানী সঙ্কট তীব্র হয়। এই সমস্যা মেটাতে ভূগর্ভে তেল সঞ্চয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ির সময়ে পরিকাঠামো তৈরি শুরু হয়। প্রাকৃতিক গ্যাস এবং খনিজ তৈল মন্ত্রকের অধীনে গঠিত হয় ইন্ডিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পেট্রলিয়াম রিজার্ভ লিমিটেড। তাদের অধীনেই ভূপৃষ্ঠ থেকে ৯০ মিটার নীচে তিনটি গুহায় খনিজ তেল সঞ্চয় শুরু হয়। সূত্রের খবর, এক একটি তৈল ভাণ্ডার প্রায় এক কিলোমিটার জায়গা জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। ১০ তলা বাড়ির সমান উচ্চতা সেগুলির। এই তিনটি তৈলভাণ্ডারে সঞ্চিত রয়েছে ৫৩ কোটি ৩০ লক্ষ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল। অন্যদিকে, রান্নার গ্যাসের জন্য বিশাখাপত্তনমে রয়েছে একটি সঞ্য় ভাণ্ডার। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৯৬ মিটার নীচে অবস্থিত এটিই বিশ্বের গভীরতম প্রাকৃতিক গ্যাস সঞ্চয় ভাণ্ডার।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ