সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: সূতির বিভিন্ন এলাকায় জলমগ্ন কৃষিজমি পরিদর্শন করলেন কৃষিদপ্তরের আধিকারিকরা। শনিবার সকালে কৃষিদপ্তরের প্রতিনিধিদল হাড়োয়া ও বংশবাটি এলাকায় যায়। রাজ্য কৃষিদপ্তরের জয়েন্ট সেক্রেটারি মহম্মদ তাহিরুজ্জামান, ডিডিএ(অ্যাডমিন) ভানুপ্রকাশ মণ্ডল, সূতি-১ব্লকের এডিএ মোখলেসুর রহমান এই প্রতিনিধিদলে ছিলেন। ঝাড়খণ্ডের পাহাড়ী এলাকায় অতিবৃষ্টির জল বাঁশলৈ নদী ছাপিয়ে সূতির বিস্তীর্ণ এলাকায় ঢুকে পড়েছে। তার জেরে বেশ কয়েকবিঘা চাষের জমি জলের তলায় চলে গিয়েছে। স্থানীয় চাষিদের দাবি, চাষের জমিতে জল জমে থাকায় তাঁরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়বেন। ঋণ নিয়ে চাষ করেছেন। সেই জন্য তাঁরা ক্ষতিপূরণের দাবি তুলেছেন।
এডিএ মোখলেসুর রহমান বলেন, ইতিমধ্যেই জল নামতে শুরু করেছে। ক্ষতি কতটা হয়েছে তা আধিকারিকরা দেখছেন। ঠিক কত বিঘা জমি জলের তলায় রয়েছে-তা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়। আরও দু’দিন পরে বলা সম্ভব হবে।
এদিন সকালে আধিকারিকরা সূতির হাড়োয়া পঞ্চায়েতে যান। সেখানে কৃষিজমির অবস্থা ঘুরে দেখার পাশাপাশি স্থানীয় চাষিদের সঙ্গে কথা বলেন। বর্তমানে কৃষিজমি থেকে জল নামতে শুরু করেছে। যদিও এলাকার বেশ কয়েকবিঘা জমি এখনও জলমগ্ন। জমি থেকে পুরোপুরি জল নামতে আরও দু’দিন লাগবে।
স্থানীয় চাষি নাজিবুল শেখ বলেন, অফিসার এসে দূর থেকে ছবি তুলে নিয়ে চলে গেলেন। ব্যাঙ্ক থেকে ৫০হাজার টাকা ঋণ করে জমিতে ধান লাগিয়েছি। আমার ১৭বিঘা জমি জলের তলায় রয়েছে। ক্ষতিপূরণ না পেলে আমাদের পথে বসতে হবে।
এদিকে, সূতি-২ ব্লকের উমরাপুর ও বহুতালি পঞ্চায়েতের একাধিক এলাকায় কৃষিজমি জলের তলায় চলে গিয়েছিল। বর্তমানে ওই এলাকার চাষের জমি থেকে জল নেমে গিয়েছে বলে কৃষিদপ্তর জানিয়েছে।