নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: সুবর্ণরেখা মহাবিদ্যালয়ের এক অধ্যাপিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল। ওই কলেজেরই প্রাক্তন এক ক্লার্কের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ হয়েছে। বিষয়টি সামনে আসতেই শিক্ষা মহলে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে গত বুধবার রাতেই গোপীবল্লভপুর থানার পুলিস অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতের নাম সুজিতকুমার পানি। বৃহস্পতিবার তাকে ঝাড়গ্রাম জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক দু’দিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুলিস জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে।
Advertisement
সুবর্ণরেখা মহাবিদ্যালয় গোপীবল্লভপুর কলেজ নামেও পরিচিত। জেলার অন্যতম নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সেই প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপিকা কলেজের প্রাক্তন এক ক্লার্কের বিরুদ্ধেই ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন। যা নিয়ে সর্বস্তরে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানিয়েছে, অধ্যাপিকা বিষয়টি নিয়ে তাদের কিছু জানাননি। তবে অন্য একটি ঘটনায় অধ্যাপিকা ও ওই ক্লার্ককে গত ২৪ অক্টোবর কলেজ থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। যা নিয়েও সেই সময় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৩১ অক্টোবর সুজিতবাবু অবসর গ্ৰহণ করেন। কলেজের ভিতর অধ্যাপিকা ও ওই ক্লার্কের আচরণ নিয়ে বহুবার সমালোচনা হয়েছে। দু’জনের সম্পর্ক নিয়ে নানা গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। সেই ক্লার্কের বিরুদ্ধেই অধ্যাপিকার অভিযোগ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই চর্চা শুরু হয়েছে।
কলেজ পরিচালনা কমিটির এক সদস্য বলেন, এই ঘটনায় কলেজের গায়ে কালি লেগেছে। যদিও এই ঘটনার সঙ্গে কলেজের সরাসরি যোগ নেই। কলেজে দু’জনের আচরণ নিয়ে নানা অভিযোগে ছিল। সতর্ক পর্যন্ত করা হয়েছিল। কিন্তু, তাতে কাজ হয়নি। তাঁদের ব্যক্তিগতস্তরে ঘটনা নিয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়। তাছাড়া কলেজেও কিছু ঘটেনি। কোথাও ঘটেছে আমরা জানি না। তবে অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে অবশ্যই দোষীর শাস্তি চাই।
এক অভিভাবক বলেন, আমার ছেলে ওই কলেজ পড়ে। অধ্যাপিকাকে নিয়ে কলেজে দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা চলার কথা জানি। কিছুদিন আগে অধ্যাপিকার একটি ছবি ভাইরাল হয়েছিল। সেই নিয়েও সর্বস্তরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। তারপরে ঘটনা এই পর্যায়ে গড়িয়েছে। তিনি বলেন, একজন অধ্যাপিকা যদি এই পরিস্থিতির স্বীকার হন, তাহলে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তো উঠবেই। এই ঘটনার নেতিবাচক প্রভাবও পড়ুয়াদের মধ্যে পড়ছে। পঠনপাঠনের ক্ষতি হচ্ছে। যা আমরা অভিভাবক হিসেবে একবারেই চাই না।
বিষয়টি নিয়ে ওই অধ্যাপিকাকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, এবিষয়ে আমার কোনও বক্তব্য নেই। কলেজ পরিচালন কমিটির সভাপতি দুলাল মুর্মু বলেন, বিষয়টি এখন আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। এনিয়ে এখনই কিছু বলতে চাইছি না। আমরা চাই আইন আইনের পথে চলুক।
কলেজের অধ্যক্ষ সিরাজ দত্ত বলেন, কলেজ থেকে ওই ক্লার্ক অবসর গ্ৰহণ করেছেন। অধ্যাপিকা ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে কলেজকে এখনও পর্যন্ত কিছু জানাননি। থানা থেকে বিষয়টি আমাদের জানানো হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ অন্য একটি ঘটনায় দু’জনকে গত ২৪ অক্টোবর সাসপেন্ড করেছিল। স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। গোপীবল্লভপুর থানার পুলিস জানিয়েছে, অধ্যাপিকা থানায় ধর্ষণের লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে রাতে সুজিতকুমার পানিকে গ্ৰেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
কলেজ পরিচালনা কমিটির এক সদস্য বলেন, এই ঘটনায় কলেজের গায়ে কালি লেগেছে। যদিও এই ঘটনার সঙ্গে কলেজের সরাসরি যোগ নেই। কলেজে দু’জনের আচরণ নিয়ে নানা অভিযোগে ছিল। সতর্ক পর্যন্ত করা হয়েছিল। কিন্তু, তাতে কাজ হয়নি। তাঁদের ব্যক্তিগতস্তরে ঘটনা নিয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়। তাছাড়া কলেজেও কিছু ঘটেনি। কোথাও ঘটেছে আমরা জানি না। তবে অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে অবশ্যই দোষীর শাস্তি চাই।
এক অভিভাবক বলেন, আমার ছেলে ওই কলেজ পড়ে। অধ্যাপিকাকে নিয়ে কলেজে দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা চলার কথা জানি। কিছুদিন আগে অধ্যাপিকার একটি ছবি ভাইরাল হয়েছিল। সেই নিয়েও সর্বস্তরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। তারপরে ঘটনা এই পর্যায়ে গড়িয়েছে। তিনি বলেন, একজন অধ্যাপিকা যদি এই পরিস্থিতির স্বীকার হন, তাহলে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তো উঠবেই। এই ঘটনার নেতিবাচক প্রভাবও পড়ুয়াদের মধ্যে পড়ছে। পঠনপাঠনের ক্ষতি হচ্ছে। যা আমরা অভিভাবক হিসেবে একবারেই চাই না।
বিষয়টি নিয়ে ওই অধ্যাপিকাকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, এবিষয়ে আমার কোনও বক্তব্য নেই। কলেজ পরিচালন কমিটির সভাপতি দুলাল মুর্মু বলেন, বিষয়টি এখন আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। এনিয়ে এখনই কিছু বলতে চাইছি না। আমরা চাই আইন আইনের পথে চলুক।
কলেজের অধ্যক্ষ সিরাজ দত্ত বলেন, কলেজ থেকে ওই ক্লার্ক অবসর গ্ৰহণ করেছেন। অধ্যাপিকা ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে কলেজকে এখনও পর্যন্ত কিছু জানাননি। থানা থেকে বিষয়টি আমাদের জানানো হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ অন্য একটি ঘটনায় দু’জনকে গত ২৪ অক্টোবর সাসপেন্ড করেছিল। স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। গোপীবল্লভপুর থানার পুলিস জানিয়েছে, অধ্যাপিকা থানায় ধর্ষণের লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে রাতে সুজিতকুমার পানিকে গ্ৰেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।



