Bartaman Logo
৩১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের কাজে বাধা, স্বাস্থ্যদপ্তরে অভিযোগ

ডি এন দে হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস তৈরির কাজে বাধাদান করা হচ্ছে। অভিযোগ, স্থানীয় লোকজন বাধাদান করছেন ও জানাচ্ছেন, কাউন্সিলার অনুমতি দিলে তবে কাজ শুরু হবে।

হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের কাজে বাধা, স্বাস্থ্যদপ্তরে অভিযোগ
  • ২৪ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ডি এন দে হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস তৈরির কাজে বাধাদান করা হচ্ছে। অভিযোগ, স্থানীয় লোকজন বাধাদান করছেন ও জানাচ্ছেন, কাউন্সিলার অনুমতি দিলে তবে কাজ শুরু হবে। পূর্তদপ্তরের কলকাতা সেন্ট্রাল হেলথ ডিভিশনের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার ২ বিষয়টি ডি এন দে’র অধ্যক্ষকে জানিয়েছেন। জানিয়েছেন, রাজ্যের সেন্ট্রাল কম্বাইন্ড ল্যাবরেটরির মধ্যে রয়েছে ডি এন এ দে’র প্রস্তাবিত দ্বিতীয় ক্যাম্পাস। জায়গাটির নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে পাঁচিল দেওয়া জরুরি। সে কাজ করতে গেলেই স্থানীয়দের বাধা আসছে। এরপরই বিষয়টি স্বাস্থ্যদপ্তরে অভিযোগ আকারে জানিয়েছেন ডি এন দে’র অধ্যক্ষ ডাঃ শুভাশিস গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমাদের মেডিক্যাল কলেজের পঠনপাঠনের অংশটি মৌলালি লাগোয়া কনভেন্ট লেনে সরকারের দেওয়া ১.২ একর জমিতে স্থানান্তরিত করার কথা। কিন্তু ওই জমিতে যতবার পাঁচিল তোলার চেষ্টা হচ্ছে, স্থানীয় কাউন্সিলার ও অনুগামীরা বাধা দিচ্ছেন। পূর্তদপ্তর থেকে আমাদের এমনই অভিযোগ করা হয়েছে। এরপরই বিষয়টি স্বাস্থ্যদপ্তরে জানিয়েছি। 

Advertisement

যদিও স্থানীয় কাউন্সিলার ও মেয়র পারিষদ (বস্তি, পরিবেশ, হেরিটেজ) স্বপন সমাদ্দার বলেন, অভিযোগ ভিত্তিহীন। ওখানে পুরসভা একটি খেলার মাঠ, পার্ক, শিশু উদ্যান বানিয়েছে। পুরসভার মেয়র পরিষদের অনুমোদন নিয়ে, সরকারের অনুমোদন নিয়ে তৈরি হয়েছে। শুনি, সেখানে পাঁচিল তোলা হবে। স্থানীয় মানুষ তাই বিক্ষোভ দেখায়। পূর্তদপ্তর থেকে ফোন করে জানায়, কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে। আমি জানাই, যেহেতু সেখানে কিছু নির্মাণ রয়েছে, তাই পুরসভার সার্ভেয়ার বিভাগ ও পূর্ত ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে যৌথ পরিদর্শন হোক। আমিও থাকব। তারপর যা হওয়ার হবে। সরকারি কাজে বাধার প্রশ্নই ওঠে না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ