নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পকসো মামলায় জামিন পেয়েছিলেন মহম্মদ আদিল নামে অভিযুক্ত এক যুবক। কিন্তু জামিনের শর্ত ছিল‑ ‘কোর্টের নির্দেশ ছাড়া তিনি এলাকায় প্রবেশ করতে পারবেন না।’ কিন্তু সেই আদেশ ভেঙে ফের এলাকায় ঢুকে কিশোরীকে কটূক্তি, হয়রানি ও মামলা তোলার ক্রমাগত চাপ দিচ্ছিলেন অভিযুক্ত। বাধ্য হয়ে এনিয়ে পুলিশে অভিযোগ দায়ের হয়। তার ভিত্তিতে বুধবার ওই যুবককে পাকড়াও করে জোড়াসাঁকো থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার ধৃতকে কলকাতার বিচারভবনের বিশেষ পকসো আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক কৌস্তভ মুখোপাধ্যায়ের এজলাসে হাজির করা হয়। বিচারক তাঁকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেপাজতে রাখার নির্দেশ দেন। এই মামলার সরকারি কৌঁসুলি মৌসুমি রায়চৌধুরী এদিন আদালতে ধৃতের জামিন বাতিলের আবেদন জানান। তিনি বলেন, আদালতের আদেশ অমান্য মানে তা আদালত অবমাননারই শামিল। পাশাপাশি কিশোরীকে তিনি যেভাবে হয়রানি করছিলেন, তাতে সে ভীত ও সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ছিল। তাই আমরা সরকার পক্ষ থেকে চাই, অভিযুক্তের জামিন বাতিল করা হোক। অন্যদিকে, কিশোরীর মা-ও আদালতে একই আরজি জানান। এরপরই বিচারক উষ্মা প্রকাশ করে মন্তব্য করেন, এমন ঘটনা কোনও মতেই সমীচীন নয়। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তাই অভিযুক্তকে জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিল আদালত। পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে ফের সুনির্দিষ্ট ধারায় নতুন করে মামলা দায়ের হয়েছে।



