সংবাদদাতা, রামপুরহাট: লক্ষ্য আগামী বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে রামপুরহাট বিধানসভার পদ আগলে থাকা নিষ্ক্রিয় বুথ সভাপতিদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল নেতৃত্ব। সেইসঙ্গে রামপুরহাট-১ ব্লকের আয়াস অঞ্চল সভাপতির পদেও নতুন মুখ আসতে চলেছে।
Advertisement
তৃণমূল সূত্রের খবর, আগামী ১০ ও ১১ নভেম্বরের মধ্যেই সমস্ত বুথ কমিটির বিজয়া সম্মিলনী সেরে ফেলতে হবে। সেই লক্ষ্যে অঞ্চলভিত্তিক বৈঠক শুরু করেছে নেতৃত্ব। এরপর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বুথ ও অঞ্চল সভাপতিদের নিয়ে সম্মেলন হবে। বুধবার দলের জেলা চেয়ারম্যান আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আগামী ১৭ নভেম্বর রামপুরহাট-১ ব্লক ও শহরের বুথ ও অঞ্চল সভাপতিদের নিয়ে সেই সম্মেলন হবে। ২০নভেম্বর এই বিধানসভার মহম্মদবাজার ব্লকের বুথ সভাপতিদের নিয়ে সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। বুথ সভাপতিদের অনেকেই পদে থাকা সত্ত্বেও নিষ্ক্রিয়, কোনও বুথ সভাপতি আবার পঞ্চায়েত সদস্য হয়েছেন, বুথে সময় দিতে পারছেন না। তাঁদের সরিয়ে নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। যাঁদের সরানো হবে তাঁদের অঞ্চল কমিটিতে স্থান দেওয়া হবে।
গত পঞ্চায়েত ভোটের সময় থেকেই তৃণমূল নেতৃত্বের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে আয়াস অঞ্চল। তখন অঞ্চল সভাপতি ছিলেন আকবর আলম। তাঁর মেয়ে ও জামাইকে পঞ্চায়েত সমিতির আসনে টিকিট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দল। যার জেরে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচি বয়কট করেন আকবর। এমনকী দলের নির্দেশ উপক্ষো করে প্যানেলের তালিকার বাইরে নিজের অনুগতদের মনোনয়ন দাখিল করানো থেকে নানা দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। কয়েক মাস আগে তাঁকে সরিয়ে অঞ্চল সভাপতির পদে বসানো হয় আজিজুল ইসলামকে। যদিও এরপরই আকবর ও আজিজুলের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। পঞ্চায়েতের উন্নয়নমূলক কাজ থমকে গিয়েছিল। গত জুন মাসে আকবরকে ছ’বছরের জন্য দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়। মাসখানেক আগে আজিজুল শেখের বিরুদ্ধে ঠিকাদারদের কাছ থেকে টাকা চাওয়ার অভিযোগ ওঠে। একটি অডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। অঞ্চল সভাপতির বিরুদ্ধে থানা ও তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ঠিকাদাররা। দলের তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। তাই ১৭নভেম্বর সম্মেলনে আজিজুলকে সরিয়ে ওই অঞ্চলের দায়িত্ব নতুন কাউকে দেওয়া হবে বলে তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছে। যদিও আজিজুল আগেই সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেছেন।
গত পঞ্চায়েত ভোটের সময় থেকেই তৃণমূল নেতৃত্বের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে আয়াস অঞ্চল। তখন অঞ্চল সভাপতি ছিলেন আকবর আলম। তাঁর মেয়ে ও জামাইকে পঞ্চায়েত সমিতির আসনে টিকিট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দল। যার জেরে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচি বয়কট করেন আকবর। এমনকী দলের নির্দেশ উপক্ষো করে প্যানেলের তালিকার বাইরে নিজের অনুগতদের মনোনয়ন দাখিল করানো থেকে নানা দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। কয়েক মাস আগে তাঁকে সরিয়ে অঞ্চল সভাপতির পদে বসানো হয় আজিজুল ইসলামকে। যদিও এরপরই আকবর ও আজিজুলের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। পঞ্চায়েতের উন্নয়নমূলক কাজ থমকে গিয়েছিল। গত জুন মাসে আকবরকে ছ’বছরের জন্য দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়। মাসখানেক আগে আজিজুল শেখের বিরুদ্ধে ঠিকাদারদের কাছ থেকে টাকা চাওয়ার অভিযোগ ওঠে। একটি অডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। অঞ্চল সভাপতির বিরুদ্ধে থানা ও তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ঠিকাদাররা। দলের তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। তাই ১৭নভেম্বর সম্মেলনে আজিজুলকে সরিয়ে ওই অঞ্চলের দায়িত্ব নতুন কাউকে দেওয়া হবে বলে তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছে। যদিও আজিজুল আগেই সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেছেন।



