নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই গ্রামের টোটো ঢুকছে কৃষ্ণনগর শহরে। যার ফলে ফের পুরনো যানজটের স্মৃতি ফিরে আসছে। নজরদারি একটু হাল্কা হতেই তার সুযোগ নিচ্ছেন ‘বহিরাগত’ টোটো চালকরা। গ্রামের টোটো বাড়তে থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে শহরের টোটো চালকদের। কৃষ্ণনগর রেল স্টেশনে ট্রেন ঢুকলেই রাস্তার উপর গ্রামের টোটো দাঁড়িয়ে থাকছে। এতে শহরের টোটো চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তা ব্যাহত হচ্ছে। শক্তিনগর জেলা হাসপাতাল কিংবা জেলা সদর হাসপাতালে টোটো চালকদের ভিড় বাড়ছে দিনের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতে। শহরবাসীর অভিযোগ, গ্রামের টোটো শহরের টোটো আলাদাভাবে চেনা যায় না। যার জন্য এই সমস্যা হয়। অনেক টোটো চালক ইমারজেন্সি কাজে আসার নামে সকাল বেলা শহরে ঢুকে পড়ে। তারপর দিনভর ভাড়া খাটিয়ে একদম রাতে বাড়ি ফেরেন। যার ফলে শহরের টোটোর সংখ্যা ফের বাড়তে শুরু করেছে।
Advertisement
পুলিসের এক আধিকারিকের কথায়, ‘আগের থেকে কৃষ্ণনগর শহরে টোটো চলাচল অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে। পুলিস প্রশাসন কড়া নজরদারি রাখছে যানজট নিয়ন্ত্রণ করতে।’ কয়েক মাস আগে গ্রামের টোটো আর শহরের টোটো আলাদাভাবে চিনতে কিউআর কোড ব্যবস্থা চালু করার সিদ্ধান্ত নেয় পুলিস প্রশাসন। শহরের টোটোতে কিউআর কোড বসবে। সেটি স্ক্যান করলেই টোটো চালকের পরিচয়পত্র বেরিয়ে আসবে। টোটোচালকের নাম, ঠিকানা, ছবি সবকিছুই সংরক্ষিত করা হবে। এক মালিক এক টোটো-নীতির বাস্তবায়ন করতেই শহরে টোটো চলাচল নিয়ে একগুচ্ছ নিয়ম লাগু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। যদিও বর্তমানে সেই কিউআর কোড ছাড়াই অধিকাংশ টোটো চলছে। শহরের আনাচে কানাচে কিউআর কোড লাগানো টোটো চোখে পড়ে। তবে বেশ কিছু টোটোর গায়ে পরিচয়পত্র হিসেবে আধার কার্ড সাঁটিয়ে রাখেন চালকরা। যাতে পুলিস ধরলে শহরের টোটো চালক হিসেবে তিনি নিজের পরিচয় দিতে পারেন।
এক টোটো চালক বলেন, ‘আমার ভীমপুর থানার আসাননগর পঞ্চায়েত এলাকায় বাড়ি। সকালবেলা টোটো নিয়ে চলে আসি। একেবারে রাতে বাড়ি যাই। গ্রামের ভাড়া সেভাবে হয় না বলেই শহরে ভাড়া খাটাতে আসি।’
টোটো চালক বিনয় সর্দার বলেন, ‘আমার বাড়ি কৃষ্ণনগর শহরেই। বহু বছর ধরে শহরে টোটো চালাচ্ছি। গ্রামের টোটো ফের শহরে ঢুকতে শুরু করেছে। এতে আমাদের সমস্যা হচ্ছে।’কড়াকড়ির সেই নিয়ম চালু হওয়ার পর শহরের যানজট অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছিল। যদিও এই শহরের বাইরে বিভিন্ন জায়গায় টোটো চালকরা বিক্ষোভ করেছিলেন। কারণ শহরের বাইরেই টোটো চালকদের আটকে দেওয়া হচ্ছিল। শহরবাসীর অভিযোগ, বর্তমানে পুলিসের সেই কড়াকড়ি নেই। শহরবাসীদের একাংশের দাবি, পুলিসের সদিচ্ছা থাকলেও এই নিয়ে টোটো চালকদের সংগঠনগুলো সমস্যা তৈরি করে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সেই নিয়ম অমান্য করতেই রাজনৈতিক নেতারা গ্রামের টোটো চালকদের উদ্বুদ্ধ করেন।
এক টোটো চালক বলেন, ‘আমার ভীমপুর থানার আসাননগর পঞ্চায়েত এলাকায় বাড়ি। সকালবেলা টোটো নিয়ে চলে আসি। একেবারে রাতে বাড়ি যাই। গ্রামের ভাড়া সেভাবে হয় না বলেই শহরে ভাড়া খাটাতে আসি।’
টোটো চালক বিনয় সর্দার বলেন, ‘আমার বাড়ি কৃষ্ণনগর শহরেই। বহু বছর ধরে শহরে টোটো চালাচ্ছি। গ্রামের টোটো ফের শহরে ঢুকতে শুরু করেছে। এতে আমাদের সমস্যা হচ্ছে।’কড়াকড়ির সেই নিয়ম চালু হওয়ার পর শহরের যানজট অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছিল। যদিও এই শহরের বাইরে বিভিন্ন জায়গায় টোটো চালকরা বিক্ষোভ করেছিলেন। কারণ শহরের বাইরেই টোটো চালকদের আটকে দেওয়া হচ্ছিল। শহরবাসীর অভিযোগ, বর্তমানে পুলিসের সেই কড়াকড়ি নেই। শহরবাসীদের একাংশের দাবি, পুলিসের সদিচ্ছা থাকলেও এই নিয়ে টোটো চালকদের সংগঠনগুলো সমস্যা তৈরি করে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সেই নিয়ম অমান্য করতেই রাজনৈতিক নেতারা গ্রামের টোটো চালকদের উদ্বুদ্ধ করেন।



