সংবাদদাতা, ঘাটাল: ধান কেনার শিবির না করে চাষিদের রাইস মিলে ধান নিয়ে যেতে বাধ্য করাচ্ছে চন্দ্রকোণা-১ ব্লকের এক রাইস মিল। শুধু তাই নয় নারায়ণপুরের ওই রাইস মিল চাষিদের প্রতি ক্যুইন্টাল ধানে পাঁচ থেকে আট কেজি পর্যন্ত ধলতা হিসাবে বাদ দিচ্ছে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ অসহায় চাষিরা। ওই মিল নারায়ণপুর সমবায়ের তদারকিতে ধান কিনছে। ওই সমবায়ও চাষিদের অভিযোগের কথা স্বীকার করেছে। যদিও মিল মালিক উত্তম বারিক জানিয়েছেন, অভিযোগ ভিত্তিহীন। তাঁরা নিয়ম মেনেই ধান কেনার ক্যাম্প করছেন। এদিকে ঘাটাল মহকুমার খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরের নিয়ামক নন্দদুলাল দাস বলেন, ‘আমরাও ওই মিল মালিকের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি বেনফেডকে তদন্ত করে দেখতে বলা হয়েছে। মিল মালিক আর সমবায়ের মাধ্যমে ধান কিনতে পারবে না বলে এদিনই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবার থেকে ওই মিলকে সিপিসি তথা সেন্ট্রালাইজড প্রোকিওরমেন্ট সেন্টার থেকে ধান কিনতে হবে।’
Advertisement
ওই মিল মালিকের বিরুদ্ধে বেশ কিছু দিন ধরেই চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনা নিয়ে অভিযোগ উঠছে। চাষিরা জানান, মিল মালিকের পক্ষ থেকে চাষিদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা হয় না। সরকারের নিয়ম রয়েছে চাষিদের যাতে বেশি না ঝামেলায় পড়তে হয় সেজন্য এলাকা ভিত্তিক ক্যাম্প করে কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনতে হবে। কিন্তু ওই মিল মালিক সেই নিয়মকে তোয়াক্কা করছেন না। তিনি সব চাষিকেই মিলে গিয়ে ধান বিক্রি করতে বাধ্য করছেন। তা না হলে ধান কিনছেন না। ধান চাষিদের মধ্যে নারায়ণপুরের অসিত ঘোষ, কোচগেড়িয়ার উত্তম বাগ, শোনপুরের নির্মল চৌধুরী প্রমুখের অভিযোগ, ফলে তাঁদের বাধ্য হয়ে দূর-দূরান্ত থেকে বয়ে নিয়ে গিয়ে মিলে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে।
শুধু তাই নয়, ধান নিয়ে গেলে ক্যুইন্টাল পিছু পাঁচ কেজি থেকে আট কেজি পর্যন্ত ধলতা হিসেবে বাদ দেওয়া হচ্ছে। অত কেজি করে ধান বাদ দিয়ে দেওয়ার জন্য চাষিদের প্রতি ক্যুইন্টালে দেড় থেকে দু’শ টাকা ক্ষতি হচ্ছে। নারায়ণপুর সমবায় সমিতির সম্পাদক দেবাশিস ঘোষ বলেন, ‘চাষিরা এনিয়ে বহুবার আমাকে অভিযোগ করেছেন। ফলে আমি বিষয়টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে জেলাশাসক এবং মহকুমা শাসককেও জানাতে বাধ্য হয়েছি।’
মিল মালিক বলেন, ‘এত বছর ধান কিনছি আমাদের বিরুদ্ধে কখনও কোনও অভিযোগ উঠেনি। একটি চক্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ করে চলেছে।’ মিল মালিকের সংযোজন, ‘ধানে ক্যুইন্টাল পিছু বাটা বাদ দেওয়ার বিষয়ে কোনও সমস্যা হলে তার সমাধান করে ব্লকে তিনটি মেন কমিটি রয়েছে। সেখানে কিন্তু আমাদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই।’
শুধু তাই নয়, ধান নিয়ে গেলে ক্যুইন্টাল পিছু পাঁচ কেজি থেকে আট কেজি পর্যন্ত ধলতা হিসেবে বাদ দেওয়া হচ্ছে। অত কেজি করে ধান বাদ দিয়ে দেওয়ার জন্য চাষিদের প্রতি ক্যুইন্টালে দেড় থেকে দু’শ টাকা ক্ষতি হচ্ছে। নারায়ণপুর সমবায় সমিতির সম্পাদক দেবাশিস ঘোষ বলেন, ‘চাষিরা এনিয়ে বহুবার আমাকে অভিযোগ করেছেন। ফলে আমি বিষয়টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে জেলাশাসক এবং মহকুমা শাসককেও জানাতে বাধ্য হয়েছি।’
মিল মালিক বলেন, ‘এত বছর ধান কিনছি আমাদের বিরুদ্ধে কখনও কোনও অভিযোগ উঠেনি। একটি চক্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ করে চলেছে।’ মিল মালিকের সংযোজন, ‘ধানে ক্যুইন্টাল পিছু বাটা বাদ দেওয়ার বিষয়ে কোনও সমস্যা হলে তার সমাধান করে ব্লকে তিনটি মেন কমিটি রয়েছে। সেখানে কিন্তু আমাদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই।’



